Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Who is Mojtaba Khamenei: আয়াতোল্লার উত্তরাধিকারী ছেলে মোজতবা, জরুরি ভিত্তিতে সর্বোচ্চ শাসক নির্বাচিত, ইরানবাসী কি মানবেন?

    1 week ago

    নয়াদিল্লি: ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ শাসক মোজতবা খামেনেই। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় নিহত, আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের ছেলে মোজতবা। বাবার মৃত্যুর পর তাঁর হাতেই ইরানের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস। (Mojtaba Khamenei)

    আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মেজো ছেলে মোজতবা। উত্তরাধিকারী হওয়ার দৌড়ে অনেক আগেই নাম ছিল তাঁর, বাবা জীবিত থাকাকালীনই। অন্য ভাইবোনদের মধ্যেও তিনিই সবচেয়ে প্রভাবশালী। এতদিন সেভাবে জনসমক্ষে না এলেও, ক্ষমতার অলিন্দে পরিচিত মুখ ৫৬ বছর বয়সি মোজতবা। ইরাক-ইরান যুদ্ধেও অংশ নেন তিনি। অর্থাৎ সামনে থেকে দেশের হয়ে লড়াই করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি, আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের দফতরের কাজকর্মও দেখভাল করতেন। (Who is Mojtaba Khamenei)

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলায় মারা যান আয়াতোল্লা খামেনেই। মারা যান তাঁর স্ত্রী, কন্যা, জামাতা, পুত্রবধূ, নাতনি। এমন পরিস্থিতিতে অন্তর্বর্তী সর্বোচ্চ শাসক হিসেবে আয়াতোল্লা আরাফির নাম ঘোষণা করা হয়। জানা যায়, উত্তরাধিকারী চয়ন এবং ক্ষমতার হস্তান্তরণ না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব সামলাবেন আরাফি। 

    তবে Iran International জানিয়েছে, দ্রুত আয়াতোল্লা খামেনেই উত্তরাধিকারী চয়ন নিয়ে চাপ সৃষ্টি করছিল ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডস। তাতেই কি চটজলদি মোজতবার নামে সিলমোহর দেওয়া হল কি না, উঠছে প্রশ্ন। কারণ এমনটাই যদি ঘটে থাকে, সেক্ষেত্রে ইরানে সরকারের অন্দরে রেভলিউশনারি বাহিনীর প্রভাব যে বেশ, তা প্রমাণ হয়ে যাবে। 

    যে সময় মোজতবার হাতে ইরানের দায়িত্ব উঠছে, তা যেমন তাৎপর্যপূর্ণ, তেমনই যে ভাবে তাঁর নাম চয়ন করা হল, তা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। কারণ রাজতন্ত্রের বিরোধিতায় ইরানে বিপ্লব ঘটে এবং সেখান থেকে প্রথমে রুহোল্লা খোমেইনি এবং পরবর্তীতেল তাঁর সহযোগী আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের হাতে শাসনভার ওঠে। কিন্তু মোজতবাকে সর্বোচ্চ শাসক ঘোষণার অর্থ বংশানুক্রমিক শাসন কায়েমে সিলমোহর দেওয়া, যা রাজতন্ত্রেরই নামান্তর মাত্র বলে মত আয়াতোল্লা খামেনেই বিরোধীদের। তাই মোজতবাকে সর্বোচ্চ শাসক নিয়োগ করার সিদ্ধান্তে ইরানের সাধারণ মানুষের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

    ২০১৯ সালে মোজতবার উপর নিষেধাজ্ঞা চাপায় আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ। অভিযোগ ওঠে, সরকারি পদে না থেকেও, নির্বাচিত না হয়েও, বাবার জায়গায় নিজের সিদ্ধান্ত প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। ১৯৬৯ সালে মাশাদে জন্ম মোজতবার। সেই সময় শাহ বংশের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান বিরোধী শক্তি হিসেবে লড়াই করছেন আয়াতোল্লা খামেনেই।

    ইরানের সর্বোচ্চ শাসক পদে আসীন হওয়া অর্থ দেশের সর্বেসর্বা হয়ে ওঠা। প্রশাসনিক প্রধান হওয়ার পাশাপাশি, সশস্ত্র বাহিনী এবং রেভলিউশনারি বাহিনীর প্রধান হওয়াও। আধা সামরিক বাহিনী হিসেবে ইরানে রেভলিউশনারি বাহিনীর উত্থান। কিন্তু আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের হাতে খোলনলচেই বদলে যায় তাদের। পশ্চিমি শক্তি, পশ্চিমি সংস্কৃতির বিরোধিতায় রেভলিউশনারি বাহিনীর ক্ষমতাবৃদ্ধি করেন তিনি। ইরানের রাজনীতি এবং অর্থনীতিতেও তাদের বিরাট প্রভাব। এই রেভলিউশনারি বাহিনীর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মোজতবাও। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের দায়িত্ব নিতে চলেছেন মোজতবা। তিনি ইরানকে কোন পথে নিয়ে যান, তা-ই দেখার।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Buy Cheap Gold: যুদ্ধের মধ্যে চড়চড়িয়ে বাড়ছে দাম, তাহলে কম দামে সোনা কিনবেন কীভাবে?
    Next Article
    Donald Trump : 'অনেক দেরি হয়ে গেছে', ইরানের সঙ্গে আলোচনার দাবি ওড়ালেন ট্রাম্প !

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment