Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    West Bengal SIR : 'এসআইআর নথি হিসাবে গণ্য করতে হবে অ্যাডমিট কার্ডকে', কমিশনকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    1 week ago

    নয়াদিল্লি : ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে মাধ্য়মিকের অ্য়াডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি। এমনই জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনিয়ে এদিন বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, এসআইআর নথি হিসাবে গণ্য করতে হবে অ্যাডমিট কার্ডকে।

    SIR-এর ক্ষেত্রে, মাধ্য়মিকের অ্য়াডমিট কার্ডকে বিবেচ্য় নথি হিসেবে গ্রহণ করার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু, তা নাকচ করে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে বলা হয়েছিল, ভেরিফিকেশনের ক্ষেত্রে মাধ্য়মিকের অ্য়াডমিট কার্ডকে গ্রহণযোগ্য নথি হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়নি। কমিশনের বক্তব্য় ছিল, তারা মনে করে, মাধ্য়মিকের (দশম শ্রেণির) অ্য়াডমিট কার্ডকে বৈধ নথি হিসেবে অনুমোদন করা সম্ভব নয়। 

    মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নির্বাচন কমিশন শুনানির সময় গ্রহণ করছে না বলে সরব হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এটা কোর্টের মধ্যে আজও বলেন। সুপ্রিম কোর্ট মাধ্যমিকের সেই অ্যাডমিট কার্ডকে আজ মান্যত দিয়েছে। বলেছে, অ্যাডমিট কার্ডকে বিবেচনা করতে হবে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "ওরা বলছিল মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নেওয়া হবে না। আমরা বলেছি, পশ্চিমবঙ্গে এটা নেই। পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডমিট কার্ডের মধ্যেই নম্বর রয়েছে। কোনও সার্টিফিকেটে জন্ম-তারিখ থাকে না। বিচারপতিরা তাতে সম্মতি দিয়েছেন। সৌভাগ্যবশত, বাঙালি বিচারপতিরা ছিলেন, তাঁরা জানেন সার্টিফিকেটে কী রয়েছে। তাঁরা বলে দিলেন সার্টিফিকেটে যে জন্ম-তারিখ রয়েছে তা গ্রহণ করতে হবে।"

    এদিকে এসআইআর মামলায় নির্বাচন কমিশনকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ১ কোটি ৩৬ লক্ষ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সের যে তালিকা রয়েছে সেটা প্রকাশ করা হোক বলে দাবি তোলা হয়েছিল তৃণমূলের তরফে। সুপ্রিম কোর্টের কাছেও একই দাবি জানিয়েছিল তৃণমূল। সেক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে বলেছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে প্রত্যেকটি ব্লক অফিস, পঞ্চায়েত অফিস এবং ওয়ার্ড অফিসে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ যে নাম রয়েছে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির, সেটা প্রকাশ করতে হবে। এই নোটিস দেওয়ার আরও ১০ দিন পর যাদের যাদের নাম রয়েছে তাঁদের নোটিস দিতে হবে, ডাকা হবে। শুনানির সুযোগ দিতে হবে। তৃণমূলের দ্বিতীয় দাবি ছিল, বুথ লেভেল এজেন্টদের শুনানি চালাকালীন অনুমতি দিতে হবে। সেটা নির্বাচন কমিশন বারণ করে দিয়েছিল। আজও সুপ্রিম কোর্টে যুক্তি দেয় যে, যদি সব রাজনৈতিক দলের বিএলএ-দের অনুমতি দেওয়া হয়, সেক্ষেত্রে একটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হবে। তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি, তর্ক-বিতর্ক হবে। সেটা তাঁরা চাইছেন না।  সুপ্রিম কোর্টে এক্ষেত্রে তৃণমূলের আংশিক জয় হয়েছে বলা যেতে পারে। বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তিকে শুনানিতে ডাকা হলে তিনি আইনজীবী, পরিবারের সদস্য, এমনকী পার্টির বিএলএ-কেও প্রতিনিধি হিসাবে নিয়ে যেতে পারেন সহযোগিতার জন্য। তবে সেটার জন্য লিখিত সম্মতি নিয়েযেতে হবে তাঁকে যে, তাঁর সঙ্গে তিনি এই ব্যক্তিকে নিয়ে এসেছেন।

     

    Click here to Read More
    Previous Article
    Jammu Kashmir News: জম্মু-কাশ্মীরের কিশতোয়ারে সেনা অভিযান, জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে শহিদ হয়েছেন হাবিলদার গজেন্দ্র সিং
    Next Article
    Husband Wife Dispute: নতুন ফোন কিনে দিতে চাননি স্বামী, চরম সিদ্ধান্ত নিলেন স্ত্রী, হতবাক পড়শিরা

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment