Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    US-Iran War: সাগরে আটকে ৭০০-র বেশি জাহাজ, রান্নার গ্যাসের জোগান ধাক্কা খেতে পারে, রাশিয়া থেকে আমদানি বাড়াবে ভারত?

    1 week ago

    নয়াদিল্লি: আশঙ্কাই সত্য় প্রমাণিত হল শেষ পর্যন্ত। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিল ইরান। জাহাজ দেখলেই জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে দিল হুঁশিয়ারি। সেই পরিস্থিতিতে পূর্ব-পশ্চিম মিলিয়ে ৭০০-র বেশি জাহাজ আটকে পড়েছে বলে খবর। আটকে পড়েছে তেলের ট্যাঙ্কারও। এই অবস্থা চলতে থাকলে, ভারতকেও ভাবনাচিন্তা করতে হবে, তেলখরচে নিয়ন্ত্রণ টানতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। (Strait of Hormuz)

    যুদ্ধের আবহে হরমুজ প্রণালী বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে ইরান। সেখান দিয়ে কোনও জাহাজ যেতে দেখলে জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে তারা। যদিও জলপথে জাহাজের আনাগোনার উপর নজরদারি চালানো সংস্থা Kpler জানিয়েছে, জলপথ এখনও বন্ধ না হলেও, হয়ে যেতে পারে। কারণ ১ মার্চ মাত্র তিনটি জাহাজই হরমুজ প্রণালী পার করতে সফল হয়। ওই তিন জাহাজ ২৮ লক্ষ ব্যারেল তেল বহন করছিল। (US-Iran War)

    চলতি বছরের গোড়া থেকে হরমুজ প্রণালী হয়ে ১.৯৮ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হয়। সেই নিরিখে প্রায় ৮৬ শতাংশ পতন চোখে পড়ছে। ২ মার্চ মাত্র একটি ছোট তেলের ট্যাঙ্কার এবং একটি ছোট মালবাহী জাহাজ মূল করিডর ধরে হরমুজ প্রণালী পেরোতে সফল হয়। 

    এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পূর্ব-পশ্চিম মিলিয়ে হরমুজ প্রণালীর দুই দিকে ৭০৬টি ট্যাঙ্কার ভিড় করেছে। এর মধ্যে একটিও ইরানের নয়। এর মধ্যে ১০৯টি ডার্টি প্রডাক্ট ট্যাঙ্কার্র, অর্থাৎ অপরিশোধিত তেল, জীবাশ্ম তেল, পিচ, ভ্যাকিউম গ্যাস অয়েল সরবরাহ করে সেগুলি। ২৬৩টি ক্লিন প্রডাক্ট ভেসেল রয়েছে, যাতে করে খাদ্যপণ্য, শিল্পপণ্য সরবরাহ করা হয়। ২৬টি ট্য়াঙ্কার উপসাগরে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। নির্দিষ্ট গন্তব্যে এগোতে পারছে না। ওমান উপসাগরে আরও কয়েকশো জাহাজ আটকে রয়েছে। 

    এমন পরিস্থিতিতে তেলের বাজার লাফিয়ে বাড়ছে দাম। ব্রেন্ট ক্রুডে ১০ শতাংশ বৃদ্ধি চোখে পড়ছে। ব্যারেল প্রতি তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৮০ ডলার। সৌদি আরবের Ras Tanura শোধনাগার এবং কাতারের LNG প্লান্টে হামলার পর ইউরোপিয়ান গ্যাসের দাম বেড়ে গিয়েছে ৪০ শতাংশ। দু’টি শোধনাগারই বন্ধ রাখতে হয়েছে।  এভাবে চললে, আগামী কয়েক দিনে আরও জাহাজ আটকে পড়বে, ভেঙে পড়বে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য। সময়ে জোগান না মিললে, চাহিদাপূরণে ধাক্কা খেতে হবে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এশিয়া এবং ইউরোপের দেশগুলি এখন থেকেই হাঁফিয়ে উঠেছে। আমেরিকা, পশ্চিম আফ্রিকা, ব্রাজিল এবং রাশিয়ার মধ্যে বিকল্প খুঁজছে তারা। তবে এশিয়ার দুই জনবহুল দেশ, ভারত এবং চিনই সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়তে পারে। কারণ দুই দেশই তেলের জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের উপর নির্ভরশীল। 

    বর্তমান পরিস্থিতিতে কী করণীয়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লিতে আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে। সূত্রের খবর, পেট্রোল এবং ডিজেল রফতানি আপাতত বন্ধ রেখে দেশের অন্দরে চাহিদার জোগান অব্যাহত রাখার পক্ষপাতী কেন্দ্রীয় সরকারের আধিকারিকরা। রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেলের আমদানিও বৃদ্ধি করা হতে পারে। পাশাপাশি, রাশ টানা হতে পারে LPG ব্যবহারেও। অর্থাৎ প্রয়োজন মতো যখন তখন LPG বুক নাও করা যেতে পারে।  তবে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি এখনও পর্যন্ত। 

    পরিশোধিত জ্বালানির বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করে ভারত, পেট্রোলের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এবং ডিজেলের প্রায় এক চতুর্থাংশ। তবে LPG-র ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বেশ চিন্তাজনক। কারণ চাহিদার জোগান দিতে ৮০-৮৫ শতাংশ LPG-ই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় ভারতকে, যার একটা বড় অংশ হরমুজ প্রণালী পেরিয়েই আসে। বর্তমানে ভারতের হাতে যে পরিমাণ LPG মজুত রয়েছে, নতুন জাহাজ না ঢুকলে, তাতে মেরেকেটে দুই সপ্তাহ চলতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। 

    Indian Oil, HPCL, BPCL-এর তরফে LPG-র উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। দেশের তৈলমন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বুঝে সবরকম প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে। দেখা হবে দেশে পেট্রোপণ্যের দামও সাধ্যের মধ্যে থাকে। শোধনাগার থেকে বন্দর এবং ভাসমান জাহাজে বর্তমানে যে পরিমাণ তেল এবং পেট্রোপণ্য রয়েছে, তাতে ৭৪ দিন চলে যাবে। 

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি চলতে পারে কয়েক সপ্তাহ। তাই যদি হয়, সেক্ষেত্রে জ্বালানির নিরাপত্তা নিয়ে ভারতকে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Gold-Silver Price Hike: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে ক্রমাগত বাড়ছে সোনার দাম, হাসি চওড়া হচ্ছে বিনিয়োগকারীদের মুখে!
    Next Article
    Iran-Israel Conflict: দেশের মাটিতে পা দিয়েই কমেছে দুশ্চিন্তা, মধ্যপ্রাচ্য থেকে ফিরে 'স্বস্তি'তে প্রত্যাবর্তনকারীরা!

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment