Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Yuva Sathi : বিটেক পাস করেও চাকরি পায়নি ছেলে, দেড় হাজার টাকার ভাতার ফর্ম নিতে এসে কেঁদে ফেললেন মা ! করুণ ছবি কাটোয়ায়

    4 days ago

    পূর্ব বর্ধমান: বিটেক পাস করেও চাকরি পায়নি ছেলে। দেড় হাজার টাকার ভাতার ফর্ম নিতে এসে কেঁদে ফেললেন মা। এমনই ছবি উঠে এল কাটোয়ায়। ভাতা নয় চাকরি চাই। চোখের জল ফেলতে ফেলতে সেই কথাই বললেন কাটোয়া ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কৃষ্ণা দত্ত। 

    [yt]https://youtu.be/XCd92SLa_Sc?si=WS1g8fW-tc9ME5B2[/yt]

    আরও পড়ুন, মল্লিকবাজারে বৈঠকে JUP-MIM-সহ একাধিক দল, উঠল হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের প্রসঙ্গ, কোন পথে সম্ভাব্য জোট ?

    রবিবার থেকেই শুরু হল নতুন রাজ্য সরকারি প্রকল্প 'বাংলার যুব সাথী'র ফর্ম বিলি। জেলায় জেলায় নাম রেজিস্ট্রেশনের জন্য দেখা গেল লম্বা লাইন। তবে অনেকেই বলছেন, ভাতার বদলে কর্মসংস্থানে জোর দিক সরকার। মাসে মাসে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে দেড় হাজার টাকা। একেবারে হাত খালি থাকার থেকে কিছু তো মিলবে!এই আশাতেই জেলায় জেলায় 'যুবসাথী' ক্য়াম্পে দেখা গেল বেকার ভাতার আবেদন করার হিড়িক।বেহালা পূর্ব'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা উদ্দালক দত্ত বলেন,সবারই হেল্প হবে, যাঁরা ধরুন এখনও কাজ খুব একটা পাইনি। অ্যামাউন্ট যতটাই হোক না কেন। কিছু না পাওয়ার থেকে পাওয়াটা তো অনেকটাই ভাল। 

    রায়গঞ্জের 'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা  বসন্তকুমার সরকার বলেন, চাকরির ফর্ম ফিল আপ থেকে শুরু করে কিছু হাত খরচাও থাকে। খাতা-কলম এগুলো কেনার থাকে। একটা বয়সের পরে বাড়ি থেকে চাইতে সংকোচ বোধ হয়। মাসে দেড় হাজার টাকা বেকার ভাতার জন্য লাইনে তো দাঁড়িয়েছেন। কিন্তু বেশিরভাগেরই মুখে শোনা যাচ্ছে একটা চাকরির দাবি। বেহালা পূর্ব 'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা  সন্দীপকুমার মিত্র বলেন, ১ হাজার ৫০০ টাকার বদলে, যদি ১৫ হাজার টাকার একটা চাকরি পেতাম, তাহলে বেশি উপকার হতো আমাদের। 
     
    মহিষাদল 'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা কেয়া জানা বলেন, যদি চাকরি হয়, সেটাই তো বেটার। বিএসসি নার্সিং করেছি ২০২১-এ। তারপর এতবার পরীক্ষা দিচ্ছি, কিন্তু কিছু হচ্ছে না। কেউ আবার দৈনন্দিন খরচের হিসেব দিয়ে বলে দিচ্ছেন মাসে দেড় হাজার টাকা ভাতা যথেষ্টই কম! কোচবিহার 'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা বিভাকর অধিকারী বলেন, দেড় হাজার টাকা দিয়ে তো কিছুই হয় না। দিনে ৫০টাকা করে হচ্ছে। হোটেলে ভাত খেতে খেলেও ৫০টাকার বেশি। কারও মুখে আবার শোনা যাচ্ছে ভিন্ন সুর। আসানসোল 'যুব সাথী'র আবেদনকারী ও বাসিন্দা  শুভদীপ সরকার বলেন, চাকরি বাকরির অবস্থা খুব খারাপ। যাঁরা ছাত্র-ছাত্রী তাঁদের হাত খরচা চালানোর জন্য যেটুকু দরকার, সরকার এটা দিচ্ছে। অনেকের ক্ষেত্রে ভাল হচ্ছে।'

    Click here to Read More
    Previous Article
    Yuva Sathi: কেউ মাস্টার ডিগ্রিতে ফার্স্ট ক্লাস, কেউ চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্সি নিয়ে লেখাপড়া করছেন! 'বেকার ভাতা'র লাইনে দাঁড়িয়ে এঁরাও!
    Next Article
    Humayun Kabir : মল্লিকবাজারে বৈঠকে JUP-MIM-সহ একাধিক দল, উঠল হুমায়ুনের বাবরি মসজিদের প্রসঙ্গ, কোন পথে সম্ভাব্য জোট ?

    Related কলকাতা Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment