Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    UPSC Success Story: রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র, বহুজাতিক সংস্থার চাকরি ছেড়ে সিভিল সার্ভিসে কীভাবে ১০২ র‌্যাঙ্ক করলেন অভিষেক?

    6 days ago

    দশম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা পুরুলিয়ার রামকৃষ্ণ মিশনে। তারপর বিহারের হাজিপুর থেকে দ্বাদশ পাস। তারপর আইআইটি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করে যোগ দেন একটি স্টার্টআপে। এই হল বিহারের বৈশালী জেলার হাজিপুরের অভিষেকের গল্প। এই অভিষেক এবারের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় গোটা দেশে ১০২ র‌্যাঙ্ক অর্জন করেছেন।

    ২০২৫ সালই প্রথম নয়, এর আগেও তিনি একবার সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু এবারে তাঁর দ্বিতীয় প্রচেষ্টাতেই বাজি মাত করেছেন অভিষেক। অভিষেক চাকরি করতেন এক বহুজাতিক সংস্থায়। সেই চাকরি ছেড়ে দেন তিনি। তারপর কিছু দিন বেঙ্গলুরুতে থেকেই পড়াশোনা করেন। তারপর তিনি ফিরে আসেন তাঁর বাড়ি হাজিপুরে। আর সেখান থেকেই পড়াশোনা করে এবার ক্লিয়ার করে ফেলেছেন সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা।

    তিনি জানান শুধুমাত্র বই নয়, পাশাপাশি অনলাইনে পড়াশোনাও করেছেন তিনি। সিভিল সার্ভিসে তাঁর ঐচ্ছিক বিষয় ছিল জুলজি। এ ছাড়াও অনলাইনে কোচিংও পড়তেন তিনি। অভিষেক বলেন, তিনি স্টার্টআপে কাজ করার সময় বুঝেছিলেন অনেক উদ্ভাবন সমাজের নীচের অংশের কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু সিভিল সার্ভিসের ক্ষেত্রে সরাসরি গ্রাউন্ড লেভেলে, মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া যায়। আর এটাই তাঁকে সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল।

    অভিষেকের বাবা অভয় কুমার সিং হাজিপুরের আরএন কলেজের দর্শনের অধ্যাপক। এছাড়াও তিনি নালন্দা ওপেন ইউনিভার্সিটিতে রেজিস্ট্রার হিসাবেও কাজ করেন। অভিষেকের বাবা বলেন, সন্তানকে সফল হতে দেখার থেকে আর বেশি আনন্দের কোনও বাবা-মায়ের কাছে আর কিছু হতে পারে না। তিনি আরও বলেন, বাচ্চার বাবা ও মেয়ের থেকেই আচরণ শেখে। ফলে, বাচ্চাদের যে কোনও লক্ষ্য অর্জনের জন্য সঠিক পরিবেশ তৈরি হওয়া আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অভিষেকের মা বলেন, ছেলের যাতে কখনও কোনও অসুবিধা না হয়, সেই কারণেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন তিনি। তাঁর গলায় ছেলেকে নিয়ে গর্ব স্পষ্ট ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, অভিষেক সব সময়ই ক্লাসের টপার ছিল।

    অভিষেকের দাদু গয়া সিং বিহারেরই সমস্তিপুর জেলার মহিউদ্দিননগরের বাসিন্দা। তিনি প্রায় ২৫ বছর ধরে রাজা জন পঞ্চায়েতের প্রধান হিসাবে কাজ করেছেন। ফলে, অভিষেকের পরিবারের মানুষের হয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। তবে অভিষেকের এই কৃতিত্বের ফলে তাঁর জেলা বৈশালীর জেলাশাসক তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে সম্মান জানিয়েছেন।

    Click here to Read More
    Previous Article
    UPSC Success Story: তাঁত বুনে চলে সংসার, ৮ বারের চেষ্টায় সিভিল সার্ভিস ক্লিয়ার করে তাক লাগালেন তামিলনাড়ুর সবরীশ্বরণ!
    Next Article
    UPSC Success Story: হার না মানা জেদ, দু'হাতে তিনটে আঙুলে! কীভাবে ইতিহাস লিখলেন সুরজ?

    Related শিক্ষা এবং চাকরি Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment