Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Russian Oil : রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতকে শর্ত বেঁধে ৩০ দিনের ছাড় আমেরিকার

    6 days ago

    নয়াদিল্লি : রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে ভারতকে ৩০ দিনের ছাড় দিল আমেরিকা। শর্তসাপেক্ষেই ভারতকে এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আমেরিকার অর্থ সচিব স্কট বেসেন্ট। যদিও এই ছাড়ে রাশিয়ার কোনও তাৎপর্যপূর্ণ আর্থিক লাভ হবে না হবে দাবি তাঁর। 'কারণ এটি কেবল সমুদ্রে আটকে থাকা তেল সম্পর্কিত লেনদেনের অনুমোদন দিচ্ছে' বলে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন তিনি। ব্লুমবার্গের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সপ্তাহ থেকে এশিয়ার জলপথে রাশিয়ার ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ছাড় শুধুমাত্র ৫ মার্চের আগে জাহাজে লোড করা রাশিয়ান পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটন সময় রাত ১২:০১ মিনিটে শেষ হবে।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষের জেরে কার্যত বন্ধ হরমুজ প্রণালী। অস্থিরতার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও ১৫% বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম। ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে দাঁড়িয়েছে ৮৪ ডলার। এর আগেই জানা গিয়েছিল, ভারত রাজি থাকলে ৯৫ লক্ষ ব্যারেল তেল দিতে তৈরি রুশ জাহাজ।

    বিশ্বে অপরিশোধিত তেল সরবরাহের অন্যতম রুট হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। যার জেরে প্রায় ৩০০ ট্যাঙ্কার থমকে। যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা। যার প্রভাব পড়বে ভারতেও।

    পশ্চিম এশিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। ইরানের উপর মিসাইল, ড্রোন হামলা আরও তীব্র করেছে আমেরিকা। সঙ্গত দিয়ে চলেছে ইজরায়েলও। হামলার পাল্টা লাগাতার প্রত্যাঘাত করে চলেছে ইরানও। একদিকে ক্ষেপণাস্ত্রের হামলা... আরেকদিকে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে অর্থনীতিতে আঘাত। বিশ্বের বাজারে অপরিশোধিত খনিজ তেল সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট রুট এই 'হরমুজ প্রণালী'। তথ্য বলছে, বিশ্বের ৫ ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ, ২০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল সরবরাহ হয় এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে। আর এই হরমুজ প্রণালীর সিংহভাগই রয়েছে ইরানের নিয়ন্ত্রণে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে তারা হুমকি দিয়ে রেখেছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে কোনও দেশের জাহাজ গেলেই হামলা চালাবে তারা। শুধুমাত্র বন্ধু দেশ রাশিয়া ও চিনকে এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখেছে তেহরান।  

    এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীর দু'দিকে প্রায় ১ হাজার ট্যাঙ্কার দাঁড়িয়ে। যার মূল্য প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার। এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ইরাক, আরব আমিরশাহির মতো তেল সরবরাহকারী দেশগুলো বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। বিশ্বে বাজারে অপরিশোধিত তেলের জোগানে টান পড়বে। বাড়বে দাম। যার প্রভাব সরাসরি এসে পড়বে ভারতেও। কারণ, ভারত তার প্রয়োজনের ৮৮ শতাংশ তেলই আমদানি করে।  যার মধ্যে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে 'হরমুজ প্রণালী' দিয়ে।যুদ্ধ শুরুর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ছিল ব্যারেল প্রতি ৬৫ ডলার। ২ মার্চ সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭১ ডলারের কাছাকাছি। আর বৃহস্পতিবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ৮৩.৪০ ডলার প্রতি ব্যারেল। এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে অপরিশোধিত তেলের দাম ২০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    What is Safe Haven: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়তে পারে সেফ হেভেনে, সেফ হেভেন কী জানেন?
    Next Article
    Iran Israel War: রাতভর বেইরুটে তীব্র অভিযান ইজরায়েলি সেনার ! যুদ্ধের সপ্তম দিনে সংঘর্ষের আগুন

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment