Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Rahul Gandhi Slams Donald Trump: ‘সমকক্ষ হিসেবে কথা বলুন, ভারত চাকর নয়’, লোকসভা থেকে ট্রাম্পকে কড়া বার্তা রাহুলের

    1 day ago

    নয়াদিল্লি: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কড়া বার্তা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধীর। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, সমকক্ষ হিসেবেই ভারতের সঙ্গে কথা বলতে হবে ট্রাম্পকে। চাকর হিসেবে নয়। ভারত নিজের শক্তি, নিরাপত্তা এবং কৃষককে রক্ষা করবে। I.N.D.I.A. জোট ক্ষমতায় থাকলে বাণিজ্যচুক্তির ক্ষেত্রে আমেরিকার সামনে মাথানত করার কোনও প্রশ্নই থাকত না বলে জানালেন তিনি (Rahul Gandhi)

    দীর্ঘ টালবাহানার পর শেষ পর্যন্ত বুধবার লোকসভায় বক্তৃতা করেন রাহুল। আর সেখানেই আমেরিকার সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বাণিজ্যচুক্তিকে নিশানা করেন তিনি। রাহুল বলেন, "আমেরিকা এবং চিনের কাছে সবচেয়ে বড় সম্পদ হল ভারতের ডেটা। আমেরিকা যদি সুপারপাওয়ার হিসেবে টিকে থাকতে চায়, আমেরিকা যদি ডলার বাঁচাতে চায়, ভারতের ডেটাই তার চাবিকাঠি। কারণ চিনের নিজস্ব ডেটাপুল রয়েছে, ১৪০ কোটি জনসংখ্যা রয়েছে তাদের। ইউরোপ, আফ্রিকা, আমেরিকার ডেটা একত্রিত করলেও, তা চিনের সমান হবে না।" (Rahul Gandhi Slams Donald Trump)

    তাই জনসংখ্যাই এই মুহূর্তে ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মন্তব্য করেন রাহুল। তিনি বলেন, "নিজেদের শক্তির কথা বলছি আমি। ভারত যদি আলোচনায় যায়, তাহলে নিজেদের শক্তি তুলে ধরতে হবে। আমাদের দেশের মানুষ, তাঁদের বুদ্ধিমত্তা, তাঁদের কর্মশক্তি, তাঁদের পছন্দ-অপছন্দ, তাঁদের কল্পনাশক্তি, তাঁদের ভয়ভীতি...২১ শতকে এগুলোই সম্পদ হয়ে উঠেছে। জনসংখ্যা দায়ভার বলে অনেককে বলতে শুনতাম। আসলে জনসংখ্যাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। জনসংখ্যা শক্তি। আর তাই ডেটার গুরুত্ব বোঝা জরুরি।"

    আমেরিকার সঙ্গে মোদি সরকার যে বাণিজ্যচুক্তি করেছে, তার তীব্র সমালোচনা করেন রাহুল। তিনি বলেন, "এই চুক্তি নিয়ে আমি হতভম্ব। I.N.D.I.A জোট যদি ট্রাম্পের সঙ্গে সমঝোতা করত, আমরা বলতাম, 'ট্রাম্প, প্রথমেই বলে রাখি, ভারতের ডেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ডলার বাঁচাতে চান। আমরা বন্ধু আপনার। আপনাকে সাহায্য় করতে চাই। কিন্তু মনে রাখবেন, ডলার বাঁচানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ভারতীয়দের হাতে। দ্বিতীয়ত, আপনি যদি আমাদের ডেটা চান, তাহলে বুঝতে হবে আপনাকে, আমাদের সমকক্ষ ভেবে কথা বলুন। এমন ভাবে কথা বলবেন না, যে আমরা আপনার চাকর'। আমাদের শক্তি, নিরাপত্তা, আমাদেরই। আমরা তাকে রক্ষা করব। তৃতীয়ত, আপনার ভোটব্যাঙ্ক যে কৃষিনির্ভর, আপনি যে নিজের দেশের কৃষকদের স্বার্থরক্ষা করতে চান, তা বুঝি আমরা। আপনাকে যেমন আপনার কৃষকদের রক্ষা করতে হবে, আমরাও আমাদের কৃষকদের রক্ষা করব।"

    রাহুল এদিন জানিয়েছেন, I.N.D.I.A জোট ক্ষমতায় থাকলে ডেটার শক্তি তুলে ধরত এবং নিজেদের স্বার্থকে সামনে রাখত। রাহুলের কথায়, "আমরা সমকক্ষ হিসেবে আলোচনায় যেতাম। ভারতকে পাকিস্তানের সমকক্ষ করতে দিতাম না। ট্রাম্প পাক সেনাপ্রধানের সঙ্গে প্রাতরাশ সারলে, আমরা সেই নিয়ে অবশ্যই কথা বলতাম। আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ ডেটা, যা ভারতকে সুপার পাওয়ার করে তুলতে পারে, তা নিয়ে মোদি সরকার কী করল? ১) ডি়জিটাল বাণিজ্য নীতির নিয়ন্ত্রণ আমেরিকার হাতে তুলে দিল, ২) ডেটা লোকালাইজেশন নিয়ে কোনও চুক্তি নেই, ৩) আমেরিকাকে বিনামূল্যে ডেটা সরবরাহ, ৪) ডিজিটাল করকে সীমিত রাখা, ৫) সোর্স কোড প্রকাশ করার দরকার নেই, ৬) বড় বড় সংস্থাকে ২০ বছরের ফ্রি ট্যাক্স হলিডে। শুল্ক নিয়ে কী করেছেন আপনারা? প্রথমে গড় ছিল ৩ শতাংশ। এখন ১৮ শতাংশে পৌঁছে গিয়েছে, ৬ গুণ বৃদ্ধি।  আমেরিকা থেকে আমদানি ৪৬ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১৪৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে যাবে। অদ্ভুত ব্যাপার! আমরা ওদের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিন্তু ওরা কোনও প্রতিশ্রুতি দিল না। বোকার মতো দাঁড়িয়ে রইলাম আমরা। আমাদের উপর শুল্ক বেড়ে ৩ থেকে ১৮ হল, আর ওদের ১৬ থেকে ০-এ নেমে এল!"

    এদিন সরাসরি নরেন্দ্রক মোদিকে আক্রমণ করেন রাহুল। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রী ডেটার গুরুত্ব বোঝেন না, একথা বিশ্বাস করি না আমি। বস্ত্রব্যবসায়ীরা বলছেন, তাঁরা শেষ হয়ে যাচ্ছেন। আর আপনারা আমেরিকাকে সাহায্য করছেন বাংলাদেশের শুল্ক শূন্যে নামিয়ে আনতে! আর আমাদের শুল্ক ১৮ শতাংশ? ভারতের বস্ত্র ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের কাছে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন। জ্বালানিক্ষেত্রেও আমাদের নিরাপত্তা নেই। আমেরিকা ঠিক করছে আমরা কাদের থেকে তেল কিনব। কাদের থেকে তেল কিনতে পারব না, রাশিয়া, ইরান, আমেরিকা ঠিক করে দিচ্ছে। ওরা নজরদারি চালাবে আমাদের উপর। ওদের বিরুদ্ধে গেলে আমাদের শাস্তি দেবে, আরও শুল্কশাস্তি চাপাবে। এই প্রথম আমাদের দেশের কৃষকরা সঙ্কটে। আপনারা দরজা খুলে দিয়েছেন যাতে আমেরিকার কৃষিপণ্য ভারতে এসে পৌঁছয়। অত্যন্ত লজ্জাজনক বিষয়। কোনও প্রধানমন্ত্রী এমন করেননি আগে, আগামীতেও করবেন না। আমাদের কৃষকদের সঙ্কটে ফেলছেন, যুবসমাজকে বিপদে ঠেলে দিচ্ছেন, আমাদের ডেটা তুলে দিচ্ছেন। কী ভাবে এসব করতে পারেন, কথা বলতে পারেন এবং সংসদে এসে যা ইচ্ছে বলতে পারেন? আপনারা ভারতকে বিক্রি করে দিয়েছেন। দেশ বিক্রি করে একটুও লজ্জা বোধ করছেন না? কোনও লজ্জা আছে কি? আমাদের মা, ভারতমাতাকে বিক্রি করে দিয়েছেন। কোনও লজ্জা নেই।"

    স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে কোনও প্রধানমন্ত্রী দেশ বিক্রি করবেন না, গলা চেপে ধরা হয়েছে বলেও এদিন দাবি করেন রাহুল। প্রধানমন্ত্রী চোখ তুলে দেখাতে পারেন না বলে দাবি করেন তিনি। লোকসভায় এপস্টিন ফাইলসের প্রসঙ্গও তোলেন রাহুল। তাতে আপত্তি তোলেন স্পিকারের আসনে আসিন জগদম্বিকা পাল। গৌতম আদানির বিরুদ্ধে আমেরিকায় যে মামলা চলছে, সেই চাপও ভারতের উপর নেমে এসেছে বলে অভিযোগ করেন রাহুল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    वैलेंटाइन वीक में एक्टिव हुए स्कैमर्स, आपके पास तो नहीं आए Free Gift और I Love You के मैसेज?
    Next Article
    Beldanga Incident : বেলডাঙায় NIA তদন্তের বিরোধিতায় রাজ্যের মামলা, হাইকোর্টেই ফেরাল সুপ্রিম কোর্ট !

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment