Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Iran Israel Conflict: তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে 'হামলা' ! ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, কুণ্ডলী পাঁকিয়ে উঠছে কালো ধোঁয়া

    1 week ago

    নয়াদিল্লি: তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে হামলা। হামলার পর বিমানবন্দরে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড। মূলত, ইরানের উপর আক্রমণ অব্যাহত থাকবে, আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছে নেতানিয়াহু। 'ইজরায়েল পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ চালাবে', জ্বলছে পশ্চিম এশিয়া, চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা  হয়েছে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রীর। আর এবার তেহরান ও ইস্ফহানেতে বড় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। 

    [yt]https://youtu.be/4y13E42Wlo4?si=gd1yFjotAGvlSU3V[/yt]

     আরও পড়ুন, আর মাত্র ২৫ দিনের অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে ভারতে ! 

    মিসাইলের জবাবে পাল্টা মিসাইল!কোথাও আবার আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে হামলা।কেউ আকাশেই ধ্বংস করে দিচ্ছে মিসাইল তো কেউ নামাচ্ছে যুদ্ধ-বিমান। চার দিন ধরে চলা আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের যুদ্ধে ভয়ঙ্কর এই ছবিগুলো যেন চেনা হয়ে গেছে।বিশ্ব মানচিত্রে তিন দেশই শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু সামরিক শক্তিতে কে কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে? তা নিয়ে চলছে চর্চা।আমেরিকার কাছে যেখানে যুদ্ধ বিমান রয়েছে দেড় হাজারের বেশি। ইজরায়েলের ২৩৯টি সেখানে ইরানের হাতে রয়েছে ১৮৮টি যুদ্ধবিমান।ইজরায়েলের কাছে যেমন ১ হাজারেরও বেশি সামরিক ড্রোন রয়েছে, সেখানে অস্ত্রভাণ্ডার ও স্ট্রেটেজিক সেন্টারে বড় ধরনের হামলার চালানোর মতো ড্রোন রয়েছে ইরানের কাছেও।এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কথা বলতে গেলে,ইজরায়েলের আয়রন ডোমের কথা প্রথমে আসে, তাছাড়াও রয়েছে ডেভিড'স স্লিং, অ্যারো-র মতো সামরিক অস্ত্র। অন্যদিকে ইরানের কাছে রয়েছে S-300-সহ আড়াই হাজারেরও বেশি এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম।
     
    আমেরিকা, ইজরায়েল ও ইরানের যুদ্ধে মূলত লড়াই চলছে মিসাইল বনাম মিসাইলের। আমেরিকা ও ইজরায়েলি বায়ুসেনা যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের মাধ্যমে ইরানের উপর আঘাত হানলেও, ইরানের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের যা সম্ভার রয়েছে, তা অনেক শক্তিশালী দেশের কাছেই চিন্তার বিষয়। তাদের ভাণ্ডারে থাকা 'শাহাব 3' - ১ হাজার ৩০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানতে পারে,'এমাদ' - ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার দূরে লক্ষ্যবস্তুকে টার্গেট করতে পারে। তারপর 'খোররামশাহ','গাদর','সেজিল'-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানতে পারে ২ হাজার কিলোমিটার দূরে,আর 'সুমর'-আঘাত হানতে পারে আড়াই হাজার কিলোমিটার দূরে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সামরিক দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশের প্রেসিডেন্ট হয়েও, ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখে শোনা গেছে ইরানের মিসাইলের কথা। 

    আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইউরোপ-সহ বিভিন্ন জায়গায় থাকা আমেরিকার সেনা ঘাঁটির ওপর আঘাত হানার মতো মিসাইল ইরানের কাছে রয়েছে। খুব শীগগিরই তারা আমেরিকায় আঘাত হানার মতো মিসাইল তৈরি করে ফেলত। মিসাইল তৈরির কর্মসূচিতে এত গুরুত্ব দেওয়ার উদ্দেশ্য় ছিল, পারমাণবিক কর্মসূচিকে রক্ষা করা। যাতে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে কেউ বাধা দিতে না পারে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরুর অনেক আগেই পারস্য উপসাগরে বিমানবাহী রণতরী 'আব্রাহাম লিঙ্কন'-কে মোতায়েন করে আমেরিকা।পরে তার সঙ্গে যোগ দেয় বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরী USS জেরাল্ড R ফোর্ড। এরকম বিমানবাহী রণতরী আমেরিকার নৌসেনার কাছে রয়েছে ১১টি সেখানে ইজরায়েল ও ইরানের একটিও নেই।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Russian Oil Import: ইরানের সঙ্গে সংঘাতে ফের কি রাশিয়ান তেলের মুখাপেক্ষী হতে হবে ভারতকে?
    Next Article
    Iran Israel Conflict: "পূর্ণ শক্তিতে আক্রমণ চালাবে ইজরায়েল..", হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর ! এবার বড় দাবি চিনের

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment