Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    US Strikes Venezuela: মাথা ফেটে ঘিলু বেরিয়ে আসার জোগাড়, অসাড় শরীর, রক্তবমি…মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেননি সৈনিকরা, ভেনিজুয়েলায় কী অস্ত্রপ্রয়োগ আমেরিকার?

    1 week ago

    নয়াদিল্লি: নিরাপত্তার বলয় ভেদ করে অন্য দেশে প্রবেশ। কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই প্রেসিডেন্ট এবং ফার্স্টলেডিকে তুলে নিয়ে যাওয়া। ভেনিজুয়েলায় এমন রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালাতে আমেরিকা বিশেষ অস্ত্রের ব্যবহার করেছে বলে এবার সামেন এল। যুদ্ধবিমান থেকে আমেরিকায় বোমাবর্ষণ করতেও দেখা যায় আমেরিকাকে। তবে ভেনিজুয়েলার সেনাকে কাবু করতে তারা বিশেষ ধরনের ‘রহস্যজনক’ অস্ত্র ব্যবহার করেছিল বলে জানা যাচ্ছে, যার জেরে নিকোলাস মাদুরোকে রক্ষা করা তো দূর, মাথা তুলে দাঁড়াতেই পারেনি ভেনিজুয়েলার সেনা। (US Attacks Venezuela)

    ভেনিজুয়েলার ঠিক কী অস্ত্র প্রয়োগ করেছে আমেরিকা, সেই নিয়ে জল্পনা উস্কে দিয়েছেন খোদ হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলান লেভিট। নিকোলাস মাদুরোর এক নিরাপত্তারক্ষীর বয়ান তুলে ধরা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, যাতে তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন কিছু শুনতেই পাইনি আমরা। আচমকাই আমাদের রেডার প্রযুক্তি বন্ধ হয়ে যায়। এর পর ঝাঁক ঝাঁক ড্রোন দেখতে পাই। আমাদের শিবিরের উপর উড়তে শুরু করে ড্রোনগুলি। (US Strikes Venezuela)

    ঠিক কী ঘটেছিল ওই রাতে, তা ব্যাখ্যা করে মাদুরোর ওই নিরাপত্তারক্ষী বলেন, “এর পর কিছু হেলিকপ্টার এসে উপস্থিত হয়। হাতে গোনা কয়েকটিই। সাকুল্যে আটটি হয়ত। হেলিকপ্টার থেকে সৈনিকরা নেমে আসেন, তাঁরাও সংখ্য়ায় কম ছিলেন। বড় জোর ২০ জন। কিন্তু অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছিলেন ওঁরা। আগে কখনও সেসব দেখিইনি আমরা। আমরা কয়েকশো ছিলাম। কিন্তু টিকতেই পারিনি। দ্রুত গতিতে, একেবারে নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত করছিলেন ওঁরা। মনে হচ্ছিল প্রত্যেকে মিনিটে ৩০০ রাউন্ড গুলি ছুড়ছিলেন। আমরা কিছু করতে পারিনি।”

    কিন্তু অস্ত্রশস্ত্র তো তাঁদের কাছেই ছিল, আমেরিকার সৈনিকদের পাল্টা জবাব দিলেন না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই চাঞ্চল্যকর দাবি করেন মাদুরোর ওই নিরাপত্তারক্ষী। তিনি বলেন, “শুধুমাত্র অস্ত্রশস্ত্র নয়। কিছু একটা প্রয়োগ করেন ওঁরা। কী করে ব্যাখ্যা করব জানি না। জোরাল শব্দ তরঙ্গ। মনে হচ্ছিল মাথা ফেটে ভিতর থেকে ঘিলু বেরিয়ে আসবে। নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল আমাদের। কেউ কেউ রক্তবমি করছিল। মাটিতে পড়ে যাই আমরা। নড়াচড়ার ক্ষমতা ছিল না।”

    মাদুরোকে বন্দি করতে গিয়ে যে গোপন অভিযান চালানো হয়, তাতে আমেরিকার তরফে কোনও প্রাণহানি হয়নি বলে আগেই জানিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মাদুরোর ওই নিরাপত্তারক্ষীও একই কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, “মাত্র ২০ জন। একটিও প্রাণহানি ঘটেনি। অথচ আমাদের শত শত লোককে মেরে বেরিয়ে যায়। ওই প্রযুক্তি, ওই সব অস্ত্রশস্ত্রের সঙ্গে পেরে ওঠারই কথা নয় আমাদের। সত্যি বলছি, আগে ওসব দেখিইনি। সনিক ওয়েপনা না কী, আমরা দাঁড়াতেই পারিনি।” তিনি যা দেখেছেন, তাতে আমেরিকার সঙ্গে কোনও দেশেরই পেরে ওঠার কথা নয় বলে জানিয়েছেন মাদুরোর নিরাপত্তারক্ষী।

    হোয়াইট হাউসের সচিব পোস্টটি শেয়ার করলেও, বিশদে খোলসা করেননি কিছু। এখনও পর্যন্ত যা খবর, গত ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে আমেরিকার ওই অভিযানে ভোনিজুয়েলার ১০০-র বেশি সৈনিক মারা যান। সাধারণ নাগরিকও মারা গিয়েছেন বলে সেই সময় দাবি করে দেশের সরকার। তবে আমেরিকা কী রহস্যজনক অস্ত্র ব্যবহার করেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শত্রুপক্ষকে কাবু করতে আমেরিকা ভিন্ন ভিন্ন ধরনের অস্ত্র আগেও ব্যবহার করেছে। মাইক্রোওয়েভ, লেজ়ার বিমের কথা আগেও শোনা গিয়েছে। তবে এই প্রথম মুখোমুখি সংঘর্ষে তা প্রয়োগের কথা সামেন এল। এর আগে, ২০২০ সালে চিনাবাহিনী লাদাখে ভারতীয় সৈনিকদের বিরুদ্ধে ‘মাইক্রোওয়েভ ওয়েপন’ ব্যবহার করেছিল বলে জানা যায়। এই ধরনের অস্ত্রশস্ত্র প্রয়োগে প্রতিপক্ষের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। রক্তক্ষরণ, শরীর অসাড় হয়ে যাওয়া, শরীরে যন্ত্রণা বা জ্বালা অনুভব করার মতো অনুভূতি জন্মায়। 

    Click here to Read More
    Previous Article
    Donald Trump: ভেনিজুয়েলার পর নজর কিউবায়? তেল-টাকা বন্ধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ভেবে রেখেছেন সম্ভাব্য ভাবী প্রেসিডেন্টের নামও!
    Next Article
    Virat Kohli: 'ভগবানের কাছে কৃতজ্ঞ, স্বপ্নপূরণের থেকে কম কিছু নয়', ইতিহাস গড়ে বললেন কোহলি

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment