Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    US-India Relations: RSS, RAW-কে নিষিদ্ধ, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার সুপারিশ, রিপোর্ট গেল ট্রাম্প সরকারের কাছে, ভারত বলল…

    4 days ago

    নয়াদিল্লি: বিজেপি-র অভিভাবক সংস্থা RSS এবং ভারতের গুপ্তচর সংস্থা RAW-কে নিষিদ্ধ করার আর্জি। ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের কাছে সুপারিশ আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের (USCIRF). ভারতের বুকে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্বে দুই সংগঠনের ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ। সেই নিয়ে বিশদ রিপোর্টও জমা দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই রিপোর্ট খারিজ করে দিয়েছে  ভারতের বিদেশমন্ত্রক। তাদের দাবি, ভারতের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। (USCIRF Recommends Ban on RSS)

    ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর নিপীড়ন চলে বলে রিপোর্ট দিয়েছে USCIRF. RSS এবং RAW-কে নিষিদ্ধ করা, তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কথা বলেছে তারা। সেই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “USCIRF-এর রিপোর্ট দেখেছি। সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করছি আমরা। উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে, ভারতের ভাবমূর্তি নিয়ে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করা হয়েছে। বিগত কয়েক বছর ধরেই USCIRF ভারতের বিকৃত ছবি তুলে ধরছে। বার বার এই ধরনের ভুল তথ্য তুলে ধরায় ওদেরই বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট হচ্ছে। বেছে বেছে ভারতকে নিশানা করা, ভারতের সমালোচনা করার পরিবর্তে আমেরিকায় হিন্দু মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুর থেকে, ভারতীয়দের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা  ও ভীতি প্রদর্শনের উপর আলোকপাত করা উচিত ওদের।” (US India Relations)

    USCIRF-এর সাম্প্রতিকতম রিপোর্টে RSS এবং RAW-কে নিষিদ্ধ করার সুপারিশ রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়, ভারতকে নিয়ে ‘বিশেষ উদ্বেগ’ রয়েছে। ধারাবাহিক ভাবে ভারতে যেভাবে ধর্মীয় নিপীড়ন চলছে, তা ভারতের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে, কারণ এর সঙ্গে ধর্মাচারণ এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতার প্রশ্নও জড়িয়ে রয়েছে। 

    রিপোর্টে আরও বলা হয়, ‘ধর্মাচারণ এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতার উপর হিন্দু জাতীয়বাদী সংগঠন RSS এবং ক্ষমতাসীন বিজেপি-র সঙ্গে প্রভাবও খতিয়ে দেখা হয়েছে। সংবিধানে ধর্মাচারণ এবং ধর্মীয় বিশ্বাসের স্বাধীনতার উল্লেখ থাকলেও, ভারেতর রাজনৈতিক ব্যবস্থা সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক পরিবেশ তৈরি করেছে। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা একটু একটু করে চলে যাচ্ছে’। ভারত সরকারই বেছে বেছে ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং তাঁদের ধর্মস্থানগুলিকে নিশানা করছে বলে দাবি করা হয় রিপোর্টে। ধর্মান্তরণ আইনের কঠোর বিধান থেকে জেলবন্দি করা, বেআইনি ভাবে নাগরিকদের বের করে দেওয়া, সংখ্যালঘুদের উপর হামলা-এমন একাধিক বিষয়ও তুলে ধরা হয়। 

    গত বছর পহেলগাঁও জঙ্গি হামলারও উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। বলা হয়েছে, পহেলগাঁও হামলায় ২৬ জনের মৃত্যুর পর মুসলিমবিরোধী ভাবাবেগ আরও জোরাল হয় ভারতে। সংখ্যালঘুদের নিশানা করে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। কর্নাটক এবং উত্তরপ্রদেশের কিছু ঘটনা তুলে ধরা হয় উদাহরণস্বরূপ। এমনকি সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করতে, তাদের ‘বেআইনি উদ্বাস্তু’ হিসেবে চিহ্নিত করতে ভারত সরকারও পহেলগাঁও হামলাকে ব্যবহার করে। ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আটক করে ভারত সরকার, যার মধ্যে ১৫ জন খ্রিস্টান ছিলেন। মায়ানমার উপকূলের কাছে আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁদের, শুধুমাত্র লাইফ ভেস্ট পরিয়ে সাঁতরে যেতে বাধ্য করা হয়। মুসলিমদের নিশানা করতেই ওয়াকফ আইন আনা হয় বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। ২০২০ সালে CAA আন্দোলনে অংশ নেওয়ার দরুণ যেভাবে উমর খালিদ, শার্জিল ইমাম এবং অন্যদের বন্দি করা হয়, তারও উল্লেখ রয়েছে।

    USCIRF-এর তরফে RSS এবং RAW-কে নিষিদ্ধ করার আর্জি জানানো হয়েছে। ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত লোকজনের আমেরিকার প্রবেশ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি, তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর সুপারিশও করেছে USCIRF. ভারতকে ‘বিশেষ ভাবে উদ্বেগজনক দেশ’ হিসেবে চিহ্নিত করতেও বলা হয়েছে। বলা হয়েছে, আগামী দিনে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তোলা হোক বা বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি, ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি রাখতে হবে চুক্তিতে।

    ১৯৯৮ সালে আমেরিকার কংগ্রেস USCIRF তৈরি করে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত হচ্ছে কি না, তার উপর নজরদারি চালানো এবং সেই মতো সংস্থানের সুপারিশ করে ওই সংস্থা। আমেরিকার প্রেসিডেন্ড, বিদেশ বিভাগ এবং কংগ্রেসের কাছে রিপোর্ট জমা দেয় ওই সংস্থা। এমনিতে স্বাধীন ভাবে কাজ করার কথা জানালেও, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এবং হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসই নয় জন কমিশনারকে নিয়োগ করে। এর আগে, ২০২৫ সালেও ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে বলে রিপোর্ট দিয়েছিল USCIRF.

    Click here to Read More
    Previous Article
    WB Election 2026: ভোটের আগে আজই রাজ্যে আসছেন মোট ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক
    Next Article
    WB Election 2026: "সিপিএম খুঁজে খুঁজে এমন প্রার্থী দিয়েছে, যাতে তৃণমূলকে জেতানো যায় "! বরানগরে BJP-র প্রার্থী পদ পেয়েই বিস্ফোরক সজল

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment