Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Judicial Corruption: বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতি, অসম্ভব ঢিলেমি? বলছে NCERT-র পাঠ্য়বই, নতুন করে বিতর্ক

    2 days ago

    নয়াদিল্লি: বিচারব্যবস্থার একাংশকে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে উল্লেখ। বিচারপ্রক্রিয়ার ঢিলেমি নিয়েও টিপ্পনি। পাঠ্যবইয়ে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা। সেই নিয়ে নতুন করে বিতর্কে ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (NCERT). (Judicial Corruption)

    NCERT-র অষ্টম শ্রেণির জন্য বরাদ্দ নতুন সমাজ বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘আমাদের সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায়ে ‘বিচার বিভাগের দুর্নীতি’ নামের একটি অংশ রয়েছে, যাতে বলা হয়েছে, বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন অংশ দুর্নীতিগ্রস্ত। (NCERT Class 8 Social Science)

    বছরের পর বছর মামলা পড়ে থাকার একাধিক কারণও ব্যাখ্যা করা রয়েছে বইয়ে। কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, পর্যাপ্ত সংখ্যক বিচারপতির অভাব, জটিল বিচার প্রক্রিয়া, দুর্বল পরিকাঠামো। এর ফলেই বিচারব্যবস্থার কাজকর্ম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 

    অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের জন্য় আগে যে পাঠ্যবই প্রকাশ করেছিল NCERT, তাতে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা বর্ণনা করতে দিয়ে বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, আদালতের কাঠামো, আদালতের সহজলভ্যতার উল্লেখই ছিল শুধুমাত্র। দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু লেখা ছিল না। তবে সাধারণ মানুষের ন্যায় বিচার পাওয়ার পথে যে বাধাবিঘ্নর কথা লেখা ছিল, তাতে বিলম্বিত বিচারের কথা উল্লেখ ছিল।


    নতুন বইয়ে আরও বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১ হাজার মামলা পড়ে রয়েছে। হাইকোর্টগুলিতে মামলা পড়ে রয়েছে ৬২ লক্ষ ৪০ হাজার। জেলা এবং নিম্ন আদালতগুলিতে ৪ কোটি ৭০ লক্ষ মামলা পড়ে রয়েছে।

    ‘বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি’র অংশে বলা রয়েছে, বিচারপতিরা আদর্শ আচরণ বিধির দ্বারা আবদ্ধ, যা শুধুমাত্র আদালত কক্ষেই তাঁদের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে না, আদালতের বাইরেও তাঁদের আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। বিচারব্যবস্থা যাতে দেশের কাছে দায়বদ্ধ থাকে, তার জন্য অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া এবং জনসাধারণের অভিযোগ গ্রহণ, পর্যবেক্ষণ এবং প্রতিকার ব্যবস্থা রয়েছে।  এর মাধ্যমে ২০১৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে ১৬০০-রও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে সংসদ পদক্ষেপ করতে পারে, ইমপিচ প্রস্তাব এনে কোনও বিচারপতিকে অপসারণ করা যেতে পারে। তবে সব দিক খতিয়ে দেখেই ওই ধরনের প্রস্তাব আমা যেতে পারে। বিচারপতিরও নিজের পক্ষ রাখার সমান অধিকার থাকে।

    নতুন বইয়ে আরও বলা হয়, ‘এত কিছু সত্ত্বেও সাধারণ মানুষ বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতির সম্মুখীন হন। দরিদ্র এবং বঞ্চিতরা বিচারের নাগাল পান না। তাই জাতীয় এবং রাজ্য স্তরে চেষ্টা চলছে, যাতে বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা বজায় থাকে, বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায় এবং যেখানেই দুর্নীতি হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ করা যায়’।

    এ প্রসঙ্গে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি বিআর গাভাইয়ের একটি মন্তব্য উদ্ধৃত করা হয়, যাতে ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি বলেন, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বিচারব্যবস্থার মধ্যেও দুর্নীতি, অসদাচরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে মানুষের আস্থার উপর প্রভাব পড়ে”।

    স্বাধীন বিচারব্যবস্থা কেন প্রয়োজন, এর ব্যাখ্যায়, নির্বাচনী বন্ড এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের উল্লেখ রয়েছে নতুন বইয়ে। বলা হয়েছে, ২০১৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার নির্বাচনী বন্ডের সূচনা করে, যার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলি টাকা তুলতে পারে। নাম-পরিচয় প্রকাশ না করেও কোনও ব্যক্তি বা সংস্থা রাজনৈতিক দলগুলিকে চাঁদা দিতে পারেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট নির্বাচনী বন্ডকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। রাজনৈতিক দলকে কে বা কারা টাকা দিচ্ছে, তা জানার অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে বলে জানায় সর্বোচ্চ আদালত। 

    বইটিতে বলা হয়েছে, একই ভাবে ২০০৯ সালের তথ্যপ্রযুক্তি আইন চালু হওয়ার পর, তাতে একটি অংশ যুক্ত করা হয়, যার আওতায় সোশ্যাল মিডিয়া মন্তব্যের জেরেও কাউকে জেলবন্দি করা যেতে পারে। ২০১৫ সালে আইনের পড়ুয়া এক ব্যক্তি সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানান। বাক স্বাধীনতার যুক্তি দেন, যাতে সায় জানায় সুপ্রিম কোর্ট। নতুন শর্তটিকে অসংবিধানিক ঘোষণা করে, সেচিকে সরাতে নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্ট কী পদক্ষেপ করে, কেন করে, তা নিয়ে পড়ুয়াদের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে বইয়ে। 

    ২০২০ সালের নয়া শিক্ষানীতি এবং ন্যাশনাল কারিকুলাম ফ্রেমওয়র্ক মেনে সব শ্রেণির পাঠ্যবই তৈরি করে আসছে NCERT. অষ্টম শ্রেণির যে সমাজ বিজ্ঞান বই নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, সেটি গতবছর জুলাইয়ে প্রকাশিত হয়। এর আগেও বার বার ইতিহাস বিকৃতি থেকে ইতিহাসের কিছু অংশ মুছে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে NCERT-র বিরুদ্ধে। যদিও তাদের দাবি, করোনার পর পড়ুয়াদের চাপ কমাতেই কাটছাঁট করতে হয়েছে তাদের। NCERT কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অধীনস্থ একটি স্বতন্ত্র সংগঠন।

    Click here to Read More
    Previous Article
    LPG : হোলিতে রান্নার গ্যাস ফ্রি ! অ্যাকাউন্টে টাকা, বড় ঘোষণা করল এই রাজ্যের সরকার
    Next Article
    Mercedes-Benz: ৬০০ টাকারও কম খরচে পৌঁছে যাবেন বেনারস, এবার নতুন গাড়ি নিয়ে আসছে মার্সিডিজ বেঞ্জ!

    Related শিক্ষা এবং চাকরি Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment