Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Iran Woman Lighting Cigarettes: আয়াতোল্লার ছবিতে আগুন ধরিয়ে প্রকাশ্যে ধূমপান, প্রাণের ঝুঁকি নিতেও পিছপা হচ্ছেন না ইরানের মেয়েরা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

    4 days ago

    নয়াদিল্লি: রক্ষণশীলতা, মৌলবাদের খাঁড়া যতবার নেমে এসেছে, তত বারই চোখে চোখ রেখে উঠে দাঁড়িয়েছেন তাঁরা। নিজের মর্জিতে বাঁচার জন্য প্রতিবাদ, আন্দোলনে নেমেছেন, প্রাণের মায়ার পর্যন্ত করেননি ইরানের মেয়েরা। সরকার বিরোধী আন্দোলনে এবারও একই ছবি দেশের সর্বত্র। সমস্ত চোখরাঙানির বিরুদ্ধে একযোগে গর্জে উঠেছেন ইরানের মেয়েরা। স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাওয়ার তাগিদ এতই তীব্র হয়ে উঠেছে যে, দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আল খামেইনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে, সেই আগুনেই সিগারেট ধরাচ্ছেন সকলে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি, ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। তবে নেহাত হুজুগ নয়, বরং এই সব ছবির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চোখরাঙানির বিরুদ্ধে বিদ্রোহের দীর্ঘ ইতিহাস। (Iran Women Burning Portrait of Ayatollah)

    অর্থনৈতিক সঙ্কট, মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে যুঝতে যুঝতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে ইরানের সাধারণ মানুষের। দিনরাত পরিশ্রম করেও দৈনন্দিন জীবনের খরচ-খরচা কুলিয়ে উঠতে পারছেন না তাঁরা। এমতাবস্থায় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছেন দলে দলে মানুষজন। পুলিশ, নিরাপত্তা বাহিনী নামিয়ে সেই বিদ্রোহ ঠেকানোর চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখেনি ইরান সরকার। জায়গায় জায়গা. সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৬০-এর বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। কিন্তু তাতেও পিছু হটছেন না সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে মেয়েরা আন্দোলনের একেবারে অগ্রভাগে রয়েছেন। আর তাতেই বাঁধিয়ে রাখার মতো একের পর এক ছবি এবং ভিডিও সামনে আসছে। (Iran Woman Lighting Cigarettes)

    এবারে আন্দোলনের সূচনাপর্ব থেকেই একের পর এক সাড়া জাগানো ঘটনা চোখে পড়েছে। পর পর আয়াতোল্লার ছবি সম্বলিত ব্যানারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার তাঁর মৃত্যু কামনা করে স্লোগান তোলা হয় লাগাতার। হিজাব খুলে পুড়িয়ে দিতেও দেখা যায় অনেককে। সেই আবহেই মুহুর্মুহু ছবি এবং ভিডিও সামনে আসছে, যেখানে আয়াতোল্লার ছবি হাতে দেখা গিয়েছে ইরানের মেয়েদের। ছবিতে আগুন ধরিয়ে, তা থেকে সিগারেট ধরাতে দেখা গিয়েছে তাঁদের অনেককেই। নেহাত হুজুগে পড়ে নয়, তাঁদের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূরণ। কারণ, ইরানে আয়াতোল্লার ছবি পোড়ানো গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। মহিলাদের সিগারেট সেবন নিয়েও সামাজিক ছুঁৎমার্গ রয়েছে সেখানে। সেই নিয়ে বিধিনিষেধও রয়েছে বিস্তর। তাই আয়াতোল্লার ছবি পুড়িয়ে, তা থেকে সিগারেট ধরানোর পদক্ষেপকে ‘সাহসী’ বললেও কম হয়।

    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, বিপদ নেমে আসতে পারে জেনেও ইরানের মেয়েরা দলে দলে এই কাজে শামিল হচ্ছেন। ক্যামেরার সামনেই আয়াতোল্লার ছবিতে আগুন ধরানোর পর, তা থেকে সিগারেট ধরাচ্ছেন। তাঁরা সিগারেট সেবনে আগ্রহী তা নয়, বরং এর মাধ্যমে গোটা দুনিয়াকে বার্তা দিতে চাইছেন। বোঝাতে চাইছেন যে, ইরানের বর্তমান শাসকের সবরকম রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় কর্তৃত্ব প্রত্যাখ্যান করছেন তাঁরা। মহিলাদের উপর চাপিয়ে দেওয়া বিধিনিষেধ ভেঙে খানখান করে দিচ্ছেন। 

    অভিনব উপায়ে প্রতিবাদের জন্য বরাবরই পরিচিত ইরানের মেয়েরা। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর যে দেশব্যাপী আন্দোলন হয়েছিল, সেখানে হিজাব পোড়ানো থেকে চুল কেটে ফেলে দেওয়া, কিছুই বাদ দেননি তাঁরা। ২০২৪ সালে ইউনিভার্সিটি অফ তেহরানে শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরে হেঁটে বেড়াতে দেখা যায় এক তরুণীকে। হিজাব নিয়ে কড়াকড়ির সম্মুখীন হলে জামাকাপড় খুলে সেভাবেই প্রতিবাদ জানান আহু দরিয়েই নামের ওই পড়ুয়া। তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া, আটক করে রাখা নিয়ে সরব হয় আন্তর্জাতিক মহলও। তবে এবার ইরানের মেয়েরা আরও সাহসী হয়ে উঠেছেন, প্রতিবাদের ঝাঁঝও বাড়িয়েছেন অনেকটাই।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Bangladesh News: বাংলাদেশে ফের সংখ্যালঘু হিন্দু তরুণ খুন, মারধরের পর বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ
    Next Article
    Vladimir Putin: মাদুরোর মতো পুতিনকেও কি বন্দি করার ভাবনা? জবাব দিলেন ট্রাম্প...

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment