Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    ABP Maha Yuddha: 'বিচার কেবল ক্ষমতাবানদের, সাধারণ হলে পাওয়া যায় না, অভয়ার মা-বাবা এটাই ভেবেছেন হয়তো', মহাযুদ্ধ অনুষ্ঠানে বললেন শান্তা দত্ত দে

    2 days ago

    কলকাতা: নির্বাচন-এসআইআর-সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট- পশ্চিমবঙ্গে ভোটযুদ্ধে এগুলো যদি প্রাইমারি হয়, তাহলে এর পাশেই বসবে দলত্যাগ- দলে যোগ- রক্তক্ষয়-ইত্যাদি ঘটনাগুলিও। এবিপি আনন্দের মহাযুদ্ধ অনুষ্ঠানে উঠে এল শাসক-বিরোধী, কেন্দ্র-রাজ্যের নানা দিক, নানা আলোচনা-সমালোচনা। এই অনুষ্ঠানেই নিজের স্পষ্ট মত রাখলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য শান্তা দত্ত দে।  
     
    বক্তব্যর শুরুতেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রসঙ্গে শান্তা দত্ত দে বলেন, 'আমার বাবার বয়স ১০১। টিভিতে আমাকে বারবারই দেখতে পায়, নানা লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়েছি সেটাও নজর এড়ায়নি বাবার। সেদিন বাবার পাশে বসলাম উনি বললেন- তুমি খুব লড়াই করতাসো। আমি বললাম হ্যাঁ লড়াই তো করছি। বাবা বললেন- হ্যাঁ ভাল ভাল, করো। কিন্তু একখান কথা কই, মুখ্যমন্ত্রী হইওনা কখনও। সোশাল মিডিয়ায় নানা কথা উঠেছে আমাকে নিয়ে বাবা সেটা মনে রেখেই এ কথা বলেন আমায় রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে। সরকারি উচ্চপদস্থ বাবা অভিজ্ঞতার পাকদণ্ডী বেয়ে বেয়ে আজ বৃদ্ধ থেকে অতিবৃদ্ধ। তিনি দেখেছেন ব্রিটিশ শাসিত ভারতের শাসন ব্যবস্থা দেখেছেন, কংগ্রেস-বাম জমানার শাসন দেখেছেন বর্তমানের তৃণমূল সরকারের দৃশ্যপট বাবাকে একটা পাঠ শিখিয়েছে তা হল আতঙ্ক'।  

    শান্তা দত্ত দে-র কথায়, 'সব রাজনৈতিক দল আজ বলছে নির্বাচন না কী গণতন্ত্রের উৎসব। এ কেমন উৎসব যে অকারণে রক্ত ঝরছে সেখানে। অকারণে মারামারি দোষারোপ চলছেই। প্রেক্ষাপটের কোনও পরিবর্তন হয় না। আব্রাহাম লিঙ্কন বলেছিলেন, Of the People, By the People, For the People। অথচ জনগণের মৌলিক নাগরিক অধিকার সুরক্ষিত থাকবে। কোথায় সেই সিস্টেম? না আগে ছিল না এখন আছে। বাবা সাহেব অম্বেদকর সংবিধানে এই কথাগুলিই ছত্রে ছত্রে লিখে গিয়েছেন।  

    তিনি এও বলেন, 'ভাবলে অবাক লাগে এই সংবিধানকে মেনে নিয়ে শপথ নিয়ে সাংবিধানিক রাজনীতি করেন, ভোটে দাঁড়ান তাঁরাই সবথেকে বেশি অসাংবিধানিক। যদি সংবিধানের মর্যাদা দিতেন তাহলে এই চেহারা হত না।'

    প্রসঙ্গ আনলেন আর জি করের। শান্তা দত্ত দে বলেন, 'এবারের নির্বাচনে অভয়ার মা বাবা মনে করছেন বোধহয় ক্ষমতার কাছাকাছি গেলে যদি আমি মেয়ের বিচার পেতে পারি। তাহলে বোঝা যাচ্ছে সাধারণ মানুষ হলে বিচার পাওয়া যাবে না, ক্ষমতায় থাকলে তবেই বিচার পাওয়া যাবে। এ কেমন গণতন্ত্র। শুধু প্রতিশ্রুতির বন্যা। মানুষকে এটা দেব ওটা দেব। কিন্তু কখনও কোনটা পাওয়া যায় না। সুকুমার রায়ের লেখা খুড়োর কলের মতোই অভয়ার বাবা-মাও ভাবছেন হয়তো মেয়ের মৃত্যুর বিচার পাবেন। মানুষ প্রতিশ্রুতির বন্যায় ভুলে থাকেন সব।'
     
    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্যের কথায়, 'মানুষের উন্নয়ন নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির জন্য। এই ব্যবস্থার ব্যাপক পরিবর্তনে দরকার। একটা অন্য সমাজ ব্যবস্থার দরকার।'  

    Click here to Read More
    Previous Article
    VIT's Success in 2026 : ২০২৬-এর ব্যাচ থেকে ১০ হাজারের বেশি চাকরি, ফের ক্যাম্পাসিংয়ে বাজিমাত VIT-এর; সর্বোচ্চ প্যাকেজ ১ কোটি টাকার
    Next Article
    Modi Government: ‘ইরান নিয়ে নরেন্দ্র মোদি এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেই আলোচনা, ফোনে ছিলেন না ইলন মাস্ক’, দাবি উড়িয়ে বলল দিল্লি

    Related টপ নিউজ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment