Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    US Supreme Court of Tariffs: শুল্ক আরোপের ক্ষমতাই নেই ট্রাম্পের, জানিয়ে দিল আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট, তাড়াহুড়োয় চুক্তিতে কি ক্ষতি হল ভারতের? আক্রমণে বিরোধীরা

    5 days ago

    নয়াদিল্লি: ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের সমস্ত শুল্ককে ‘বেআইনি’ ঘোষণা করেছে আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট। চড়া হারে শুল্ক আদায় নিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে এক্তিয়ারও স্মরণ করিয়ে দিয়েছে তারা। সেই নিয়ে এবার কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারকে তীব্র আক্রমণ বিরোধীদের। তাদের দাবি, সাত তাড়াতাড়ি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে না গেলে, ভারতকেও আর শুল্ক দিতে হতো না। ট্রাম্প সরকার যে নতুন বৈশ্বিক শুল্ক ঘোষণা করেছে, তা নিয়ে ভারতের কী অবস্থান হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। (US Tariffs on India)

    শুক্রবার আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প সরকারের চাপানো সমস্ত শুল্ককে ‘বেআইনি’ ঘোষণা করেছে। আর তার পর পরই নতুন করে ১০ শতাংশ হারে বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা করেছে ট্রাম্প সরকার। যে সমস্ত দেশের সঙ্গে ইতিমধ্যেই বাণিজ্যচুক্তি হয়ে গিয়েছে, এই নয়া হারে শুল্ক কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। আর সেই নিয়েই কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলগুলি মোদি সরকারকে বিঁধতে শুরু করেছে। সাত তাড়াতাড়ি বাণিজ্যচুক্তিতে স্বাক্ষর করায় ভারতের ক্ষতি হয়েছে বলে মত তাদের। (US Supreme Court of Tariffs)

    কংগ্রেস নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। মোদি সরকার সাত তাড়াতাড়ি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির যে কাঠামো তৈরি করেছে, তা নিয়ে এখন আশঙ্কার মেঘ। মোদি সরকারকে জবাব দিতে হবে, ১) আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিয়ে রায় আসতে চলেছে জেনেও কেন সাত তাড়াতাড়ি বাণিজ্যচুক্তি করতে ছুটল মোদি সরকার? কেন রায়ের জন্য অপেক্ষা করল না? ২) এটা কি সঠিক নয় যে আমেরিকা ভারতের উপর ১৮ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছে? আমেরিকার প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতাই যেখানে খর্ব করা হয়েছে, ওই বাণিজ্যচুক্তির গুরুত্ব কী? মোদি সরকার কি এখন ওই বাণিজ্যচুক্তি বাতিল করবে? ৩) রাশিয়ার থেকে তেল কেনার জন্য কি ভারতকে শুল্কশাস্তি দেয়নি আমেরিকা? রাশিয়ার থেকে তেল কিনবে না ভারত, এই শর্তে কি পরে শুল্কশাস্তি প্রত্যাহার করা হয়নি? কিন্তু আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট কি প্রেসিডেন্টের সেই ক্ষমকা খর্ব করেনি? তাহলে তো রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে আর কোনও বাধাবিপত্তি রইল না, তাই নয় কি? জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে রাশিয়ার থেকে কি এবার সস্তায় তেল কিনবে ভারত? ৪) আমেরিকা থেকে খাদ্য ও কৃষিপণ্য় আমদানি করার সিদ্ধান্ত, যাতে ৭২ কোটি ভারতীয় কৃষক এবং শ্রমিকের স্বার্থ জড়িয়ে, তা থেকে কি পিছু হটবে মোদি সরকার? দেশের কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করা হবে কি? ৫) জেনেটিক্যালি মডিফায়েড আমদানি থেকে কি পিছু হটবে মোদি সরকার? ৬) আমেরিকার থেকে ৪৫ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য কিনতে যে ভারত বাধ্য নয়, তা কি ঘোষণা করবে মোদি সরকার? ৭) ভারতের ডেটা এবং ডিজিটাল সিকিওরিটি রক্ষার্থে কি প্রতিশ্রুতি দেবে মোদি সরকার?’

    কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশেরে কথায়, ‘নিজের ভাবমূর্তি রক্ষায় মোদি এত মরিয়া না হলে, ১৮টা দিন অপেক্ষা করে গেলে ভারতের কৃষকদের দুর্দশা থেকে মুক্তি দেওয়া যেত, ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যেত’। পবন খেরার কথায়, ‘আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তথাকথিত বৈশ্বিক শুল্ক বাতিল করে দিয়েছে। ভারত ১৮টা দিন অপেক্ষা করলে এভাবে কোণঠাসা হতে হতো না, ভারতবিরোধী বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর করতে হতো না’।

    শিবসেনা (উদ্ধব ঠাকরে) সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদি লেখেন, ‘বুঝতে পারছি না ভারত এত তাড়াতাড়ি চুক্তির দিকে এগোল কেন, কেন জ্বালানি সিদ্ধান্ত নিয়ে হাত তুলে দিল, আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অপেক্ষা না করে দেশের কৃষকদের স্বার্থ বিসর্জন দিল কেন? এখন ১০ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হবে, অথচ আমেরিকাকে শুল্ক দিতে হবে ০ শতাংশ’। চিনের সঙ্গে তুলনা টেনে তিনি আরও লেখেন, ‘আমেরিকার আদালতের হস্তক্ষেপের পর গোটা বিশ্বের মতো চিনও ১০-০ শতাংশ শুল্কের আওতায় চলে আসছে। অথচ তাদের রাশিয়ার থেকে তেল কেনার অধিকার বিসর্জন দিতে হয়নি। কোনও বাধাবিঘ্ন ছাড়াই সস্তায় তেল কিনছে। কিন্তু ভারত ১০ শতাংশ শুল্কও দেবে, আবার সস্তায় তেলও কিনতে পারবে না। কারণ আমরা ‘ঐতিহাসিক’ ১৮ শতাংশের চুক্তি স্বাক্ষর করেছি। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রকের বুদ্ধি বলে কথা’।

    তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র লেখেন, 'নরেন্দ্র মোদি দয়া করে কি বলবেন, কেন এই ডিগবাজিতে রাজি হলেন আপনি?'

    আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে লেখা হয়, 'আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, ভারত শুল্ক দেবে, আমেরিকা নয়। ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। মোদি সরকার এটাকে নিজেদের জয় বলে দেখাচ্ছে। আসলে এই চুক্তি ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ডেথ ওয়ারেন্ট। মোদি সরকার এটিকে উদযাপন করছে'।

    Click here to Read More
    Previous Article
    US Tariffs: শুল্ক থেকে আয় ১২ লক্ষ কোটি, এখন ‘রিফান্ড’ চেয়ে পর পর মামলা, টাকা ফেরত দেবে ট্রাম্প সরকার?
    Next Article
    US Tariffs on India: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়েও নতুন বৈশ্বিক শুল্কের ঘোষণা ট্রাম্পের, ভারতকে কত দিতে হবে, আগের টাকা ফেরত পাওয়া যাবে কি?

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment