Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Taunting for Dark Skin: ‘এই মুখ নিয়ে ডাক্তার হওয়ার শখ?’ গায়ের রং নিয়ে লাগাতার হেনস্থা, ডেন্টাল পড়ুয়ার মৃত্যুতে কাঠগড়ায় অধ্যাপকরাই

    1 week ago

    বেঙ্গালুরু: ডেন্টাল কলেজে পড়ুয়ার আত্মহত্যার ঘটনায় এবার অধ্য়াপক এবং অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হল। গায়ের রং শ্যামলা হওয়ার জন্য ওই পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থা করা হয়, তাঁকে অপমান করা হয় বলে অভিযোগ। অধ্যাপকরাই তাঁর মেয়েকে মানসিক ভাবে হেনস্থা করেন, পদে পদে তাঁকে অপমান করেন বলে দাবি নিহত পড়ুয়ার মায়ের। (Bengaluru Dental College Case)

    বেঙ্গালুরুর বেসরকারি অক্সফোর্ড ডেন্টাল কলেজের ঘটনা। গত সপ্তাহে কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া, ২৩ বছর বয়সি যশশ্বিনী আত্মঘাতী হন। ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। মেয়েটির মা, পরিমালাদেবী কলেজের অধ্যাপক এবং অধ্যক্ষের দিকে আঙুল তুলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সহপাঠীদের সামনেই গায়ের রং নিয়ে তাঁকে হেনস্থা করতেন অধ্যাপকরা। মেয়েকে বলা হতো, “গায়ের রং এত কালো। এই মুখ নিয়ে ডাক্তার হওয়ার শখ কেন?” আর তাতেই পাঁচ অধ্য়াপক এবং কলেজের অধ্য়াপকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

    ঝুলন্ত অবস্থায় যশশ্বিনীর দেহ উদ্ধারের পর থেকেই ওই কলেজের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ঘটনায় প্রথমে অস্বাভাবিক মৃত্যুর অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পরবর্তীতে কলেজের তরফে ছ'জনকে সাসপেন্ড করা হয়। সাসপেন্ড হন আনমোল রাজদান, শাবানা বানু, ফাইকা কোলকার, অ্যালবা দীনেশ, সিন্ধু আর, সুস্মিনি হেগড়ে-কে সাসপেন্ড করা হয়। তাঁরা সকলেই ডিপার্টমেন্ট অফ ওরাল মেডিসিন অ্যান্ড রেডিওলজি বিভাগে কর্মরত।

    যশশ্বিনীর পরিবারের দাবি, গায়ের রং নিয়ে আগাগোড়া হেনস্থা করা হচ্ছিল তাঁকে। কলেজে শিক্ষার যে পরিবেশ ছিল এবং যে সামাজিক অবকাঠামো গড়ে উঠেছিল, তাতে যশশ্বিনীকে ক্রমাগত হয়রানির শিকার হতে হচ্ছিল। এমনকি কলেজের সাধারণ কর্মীরাও তাঁকে কটাক্ষ করতেন। তাঁর চেহারা, উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হতো। পড়াশোনা সংক্রান্ত সুযোগ সুবিধার কতটা তাঁর প্রাপ্য, সেই নিয়ে বিঁধতেন অনেকেই।

    ওই পরিবার জানিয়েছে, প্রায়শই কলেজ থেকে একেবারে হতাশাগ্রস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরতেন যশশ্বিনী। একাকী বোধ করতেন তিনি। লাগাতার যেভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে তাঁকে, তাতে মানসিক স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব পড়ছে বলেও জানিয়েছিলেন। একবার চোখে সমস্যার কথা জানালে উপহাস করা হয় তাঁকে। সেমিনারে যোগ পর্যন্ত দিতে দেওয়া হয়নি। 

    গায়ের রং নিয়ে যশশ্বিনীকে হেনস্থা করা হতো বলে তাঁর সহপাঠী এবং বন্ধুদের কথাতেও ধরা পড়েছে। তাঁরা জানিয়েছেন, সর্বসমক্ষে বার বার অপমানিত হতে হতে একাকী হয়ে পড়েছিলেন যশশ্বিনী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরফে কোনও রকম সমর্থন তো পানইনি, উল্টে তাঁর মনোবল ভেঙে পড়ে।

    জানা গেছে, বন্ধু এবং সহপাঠীরা এই দাবিগুলো সমর্থন 

    যশশ্বিনীর পরিবারের মতে, ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা হচ্ছিল যশশ্বিনী। তাঁর পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাতে, ভবিষ্যতের সব সম্ভাবনা নষ্ট করে দিতে এবং তাঁকে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন বোধ করানোই লক্ষ্য ছিল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    A Revanth Reddy: বয়স্ক মা-বাবাকে অবহেলা করলে বেতন কাটা যাবে, সরকারি চাকুরেদের জন্য নয়া আইন, দেশে এই প্রথম
    Next Article
    Abhishek Banerjee: "আপনি এতো বড় নেতা..", ২৬-র ভোটের আগে শুভেন্দুর গড়ে দাঁড়িয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য অভিষেকের !

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment