Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Singur Land Situation : দিনেদুপুরে চরছে শিয়াল, 'ফসল খেয়ে যাচ্ছে বুনো শুয়োর', কংক্রিটের চাঙরের নীচে চাপা পড়ে সিঙ্গুরের স্বপ্ন !

    4 days ago

    কৃষ্ণেন্দু অধিকারী, সিঙ্গুর : সিঙ্গুরের ফেরত পাওয়া জমির একটা বিরাট অংশে এখন শুধুই কংক্রিটের শাসন। বিধানসভা ভোটের আগে মোদির সভা ঘিরে যখন ফের একবার শিরোনামে সিঙ্গুর, তখনও কংক্রিটের চাঙরের নীচে চাপা পড়ে রয়েছে সিঙ্গুরের স্বপ্ন। কোথাও ৭০ শতাংশ, কোথাও আবার ৯০ শতাংশ জমি চাষের অযোগ্য হয়ে পড়ে রয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় কৃষকরা। একসময় শিল্প-সম্ভাবনার সিঙ্গুরের জমিতে এখন চড়ে বেড়াচ্ছে শিয়াল। 

    সিঙ্গুর রাজ্য় রাজনীতির পালাবদল ঘটিয়েছে ঠিকই, কিন্তু নিজেদের জীবন-যাত্রা কি পাল্টাতে পেরেছিল ? সিঙ্গুরের জন্য় অনেকের স্বপ্ন ভেঙেছে। কিন্তু সিঙ্গুরের স্বপ্ন কি বিকশিত হয়েছে ? আজ প্রায় দু'দশক পর এই প্রশ্নগুলি উঠছে, তার কারণ সিঙ্গুরে সভা করতে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি।

    ২০১৬ সালের ৩১ অগাস্ট। সিঙ্গুরের জমি অধিগ্ৰহণকে বেআইনি ঘোষণা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। অধিগৃহীত জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সব্বোর্চ আদালত। সেই মতো জমি ফেরত দিয়েছে রাজ্য সরকার। কারখানার কাঠামো সরিয়ে...কংক্রিটের স্ল্যাব ভেঙে জমি চাষ যোগ্য করার চেষ্টাও হয়েছে। কিন্তু লাভের লাভ কিছুই হয়নি। ৯৯৭ একর জমির মধ্যে মাত্র ৩০০ একরের কাছাকাছি জমি চাষযোগ্য করা গেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সিংহের ভেড়ি ও বাজেমেলিয়া মৌজায় প্রায় ১০০ শাতংশ জমিই কার্যত চাষের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। গোপালনগর মৌজায় প্রায় ৭০ শতাংশ জমি চাষের অযোগ্য। খাসের ভেড়িতে প্রায় ৯০ শতাংশ জমিতে আর হবে না চাষাবাদ। আর বেড়াবেড়ি অঞ্চলেও ৪০ শতাংশ জমি চাষের অযোগ্য হয়ে পড়ে আছে। 

    সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনকারী দুধকুমার ধারা বলেন, "যে জমিটাকে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল, সেই হাজার একর জমি, তার মধ্যে মাত্র ২৯০ থেকে ৩০০ একর জমি চাষযোগ্য। ৩০ শতাংশ জমির মধ্যে চাষ হচ্ছে না। জমিটাকে আমরা ফিরে পেলাম। চাষযোগ্য করতে হবে। চাষযোগ্য করার জন্য সরকারিভাবে যে উদ্যোগটা নেওয়া হয়েছিল, তার ফল কিন্তু চাষিরা পায়নি। এখানে জানি না মধ্যসত্ত্বভোগী কেউ আছে কিনা।" 

    সিঙ্গুরের কৃষক নকুল পোলে বলেন, "৫ কাঠা জমিতে চাষ করেছি নিজে খরচা করে। এই ৫ কাঠা জমিতে আমার মোটামুটি ১৫ হাজার টাকা খরচা হয়েছে। এখনও পাথর আছে। যত খুঁড়বেন তত পাথর। ওই ৫ কাঠা জমি কোনও গতিতে করেছি। তারপরে আর করতে পারিনি।" দিনেদুপুরে চরে বেড়াচ্ছে শিয়াল। স্থানীয়দের বক্তব্য, ফসল খেয়ে যাচ্ছে বুনো শুয়োর। এর আগে সিঙ্গুরে মাছ চাষের ছবিও দেখা গেছে। তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম জলাশয়। তাতে খেলে বে়ডাচ্ছে মাছ। কিন্তু এই কি সিঙ্গুরে হওয়ার কথা ছিল ? না কারখানা হল! না পুরোপুরি চাষযোগ্য় হল জমি !

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভারতে না খেলায় অনড় বাংলাদেশ, ‘বন্ধু’ পাকিস্তানের উদাহরণ দিয়ে বিসিবি বলছে, ‘মর্যাদায় আপস নয়’
    Next Article
    Anandapur News: ভর সন্ধেয় আনন্দপুরে নোনাডাঙা বস্তি এলাকার পাশে বিধ্বংসী আগুন !

    Related জেলার খবর Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment