Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Sheshnaag-150 Drone: যুদ্ধ লেগেছে মধ্যপ্রাচ্যে, ইতিমধ্যেই তৈরি হয়ে গিয়েছে ভারতীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আত্মঘাতী ড্রোন 'শেষনাগ'!

    2 days ago

    আজকের দিনে যুদ্ধ লাগলে ড্রোন কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা ইতিমধ্যেই দেখা গিয়েছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে। এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা পরিস্থিতিতেও বারে বারে দেখা গিয়েছে আত্মঘাতী ড্রোন হামলা কতটা কার্যকর হতে পারে। এই সংঘাতে ইরান ব্যবহার করছে তাদের শাহেদ ১৩৬ ড্রোন। আমেরিকা ব্যবহার করছে তাদের লুকাস ড্রোন। আর এই ড্রোনগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের দামের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি ক্ষতি করছে শত্রুপক্ষের।

    ড্রোন নিয়ে এই চিন্তার মাঝেই ভারতের নিজস্ব আত্মঘাতী ড্রোন শেষনাগের কিন্তু অবিচল ভাবে উন্নতি ঘটে চলেছে। বেঙ্গালুরু একটি স্টার্টআপ, নাম নিউস্পেস রিসার্চ টেকনোলজিস বা এনটিআর এই ড্রোন তৈরি করছে। তাদের প্রথম ড্রোন উড়েছিল অপারেশন সিঁদুরের সময়। সেই সময় ভারতীয় সেনা এই নিউস্পেস রিসার্চ টেকনোলজিসকে আহ্বান জানিয়েছিল তাদের ড্রোন যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েনের জন্য। আর সেই সময়ই দেখা গিয়েছিল ভারতের নিজস্ব আত্মঘাতী ড্রোনের প্রয়োজন কতটা।

    এই সময় মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ঠিক কতটা প্রয়োজন রয়েছে একটা আত্মঘাতী ড্রোনের। ইরানের আত্মঘাতী ড্রোন শাহিদ ১৩৬ বারে বারে সীমান্তবর্তী এলাকায় আক্রমণ শানাচ্ছে ও দেখিয়ে দিচ্ছে কীভাবে কম খরচে এমন এক দারুণ অস্ত্র তৈরি করে ফেলা যায়। এখানে বলা যায়, আমাদের শেষনাগ কিছু এই শাহিদের অনুকরণেই যেন তৈরি হয়েছে।

    এমনকি শাহিদের থেকে অন্যপ্রাণিত হয়েছে আমেরিকা তৈরি করেছিল তাদের লুকাস আত্মঘাতী ড্রোন। শেষনাগ আসলে দূরপাল্লার এমন এক ড্রোন যা ঝাঁকে ঝাঁকে আক্রমণ করতে পারে। ফলে, যে কোনও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে যে কোনও মুহূর্তে ভেঙে ঢুকে যেতে পারে। ও নির্ভুল ভাবে নিজের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে।

    এই ড্রোনের রেঞ্জ প্রায় ১ হাজার কিলোমিতার। এ ছাড়াও একটানা ৫ ঘণ্টা উড়তে পারে এই ড্রোন। এ ছাড়াও কোনও চালকের হস্তক্ষেপ ছাড়াই এই ড্রোন স্বয়ংক্রিয় ভাবে এই ড্রোন লক্ষ্যবস্তুকে চিহ্নিত করতে, সেই লক্ষ্যবস্তুকে ট্র্যাক করতে ও আক্রমণ করতে সক্ষম। এ ছাড়াও এই ড্রোন প্রায় ৪০ কেজি ওজন বহন করতেও সক্ষম।

    রাশিয়া-ইউক্রন যুদ্ধ হোক বা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত কিম্বা ভারতের অপারেশন সিঁদুর বা আগামীর যে কোনও যুদ্ধ পরিস্থিতি, সব ক্ষেত্রেই এই ধরনের আত্মঘাতী ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা কতটা তা বর্তমান পরিস্থিতি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। আর এবার সেই শ্রেণীর ড্রোন শেষনাগের অপেক্ষাতেই বসে ভারতীয় সেনা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Iran Government : খামেনেইয়ের উত্তরসূরি নিযুক্ত পুত্র মোজতাবা ? রিপোর্ট ওড়াল ইরান সরকার
    Next Article
    Indian Rupee Fall: যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ডলারের সাপেক্ষে দাম পড়েছে ভারতীয় মুদ্রার, ছুঁয়ে ফেলেছে ৯২.১৭ টাকা!

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment