Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Science News: জিনই কি আয়ু নির্ধারণ করে দেয়? কে কত দিন বাঁচবেন, তাতে বংশগত কার্যকারণের গুরুত্ব কতটা? উঠে এল গবেষণায়

    4 days ago

    নয়াদিল্লি: জীবনযাত্রার উপর নির্ভর করে আয়ু। মানুষ কতদিন বাঁচবেন, তা অনেকাংশে ঠিক করে দেয় তিনি কী খাচ্ছেন, কোন পরিবেশে থাকছেন, তাঁর মদ্যপান, ধূমপানের অভ্যাসও। আবার দুর্ঘটনা, বিপদ ঘটলেও অকালে ঝরে যায় জীবন। কিন্তু সাধারণ পরিস্থিতিতে একজন মানুষ কতদিন বাঁচবেন, তার ৫৫ শতাংশই তাঁর জিনের উপর নির্ভর করে বলে এবার গবেষণায় উঠে এল। (Genetics Driving Human Lifespan)

    মানুষের আয়ুর উপর জিনের প্রভাব যৎসামান্য, মেরেকেটে ৬ থেকে ৩৩ শতাংশ বলে এর আগে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে। কিন্তু Science জার্নালে প্রকাশিত নয়া একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী, একজন মানুষ কতদিন বাঁচবেন, তার উপর জিনের প্রভাব থাকে ৫৫ শতাংশ। আগের গবেষণায় যে হিসেব মিলেছিল, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ। একেবারে গাণিতিক মডেল ধরে এগিয়েই এর সপক্ষে প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। দুর্ঘটনা, সংক্রমণের মতো অকালমৃত্যুর একাধিক সম্ভাবনা মাথায় রেখেই হিসেব বের করেছেন তাঁরা। (Science News)

    ইজ়রায়েলের ওয়েইজ়ম্যান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সের বেন শেনহার বলেন, “একজন মানুষের আয়ু কত হবে, তা নির্ভর করে জীবনযাপন, জিন, এবং অবশ্যই আকস্মিক ঘটনাবলীর উপর। আমরা সব কিছু নিয়েই গবেষণা চালিয়েছি। আয়ুর নেপথ্যকারণগুলিকে মূলত দূ’টি ভাগে ভাগ করি আমরা— জিন এবং অন্য কার্যকারণ। এই অন্য কার্যকারণের ভূমিকা ৫০ শতাংশের মতো।”

    যমজ সন্তানদের নিয়ে নথিভুক্ত ঐতিহাসিক রেকর্ডও ঘেঁটে দেখেন বিজ্ঞানীরা, যাতে হিংসা, দুর্ঘটনা, রোগ-সংক্রমণের মতো মৃত্যুর কারণগুলিকেও হিসেবের অন্তর্ভুক্তই করা হয়নি। বয়সের উল্লেখ থাকলেও, মৃত্যুর কারণ উহ্যই ছিল। অর্থাৎ যমজ সন্তানের একজন যদি ৯০ বছর বয়সে স্বাভাবিক ভাবে মারা যান, অন্য জন যদি ৩০ বছর বয়সে সংক্রামক রোগের কবলে পড়ে মারা গিয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে আয়ু সংক্রান্ত বংশগত কারণগুলি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। 

    তাই নতুন ভাবে হিসেব নিকেশ শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। বয়সের সঙ্গে সংক্রমণ, পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা যে বাড়ে, সেগুলিকে গবেষণার অন্তর্ভুক্ত করেন। সব ধরে শেষ পর্যন্ত যে হিসেব মেলে, তাতে বংশগত কার্যকারণ বা জিনের ভূমিকাও প্রায় ৫০ শতাংশ বলে ধরা পড়ে। শেনহার জানিয়েছেন, যমজ সন্তানদের ক্ষেত্রেও ৫০ শতাংশ, আবার মেনোপজ়ের সময় বংশগত কারণে বয়সের অবক্ষয়ের গতিও ৫০ শতাংশ। আবার শতায়ু হন যাঁরা, তাঁদেরকে বার্ধক্য থেকে রক্ষা করে জিন-ই।

    তবে জিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, একজন মানুষ কতদিন বাঁচবেন, সেই হিসেব করতে গেলে তাঁর জীবনযাপ, বদভ্যাসগুলিকে বাদ দেওয়া যাবে না বলে মত বাক ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ অন এজিংয়ের প্রেসিডেন্ট এরিক ভার্ডিন। শেনহার জানিয়েছেন, তাঁরা জীবনযাপনের ভূমিকা অস্বীকার করছেনই না। শুধু বলতে চাইছেন, আয়ুর ক্ষেত্রে বংশগত কারণগুলির ভূমিকা অনেকটাই।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Madhya Pradesh News: শ্বাসরোধ করে ১৩ বছরের বালককে খুন, খাটের মধ্যে বাক্সে দেহ লুকিয়ে রেখেছিল অভিযুক্ত
    Next Article
    Modi on Budget: ‘ভবিষ্যৎমুখী বাজেট, যুব সমাজের জন্য মুক্ত আকাশ’, নির্মলার প্রশংসা মোদির

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment