Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Paschim Medinipur News : রোগী দেখতে বাড়ি যেতে অস্বীকার করায় চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ ! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেতা

    2 days ago

    সৌমেন চক্রবর্তী, শালবনি : রোগী দেখতে বাড়িতে যেতে অস্বীকার করায় পশ্চিম মেদিনীপুরে শালবনিতে এক চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এই অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা। অন্যদিকে, রাজ্যের শাসক দলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। 

    চেম্বারের মধ্যেই বেধড়ক মার ! কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে রোগীর বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ। পরে মৃত রোগীর দেহ চিকিৎসকের বাড়ির সামনে রেখে বিক্ষোভ। তৃণমূল নেতার অসুস্থ আত্মীয়কে না দেখতে যাওয়ায় এভাবেই এক চিকিৎসককে শাস্তি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। আক্রান্ত চিকিৎসক নিখিলরঞ্জন ঘোষের কথায়, "মত্ত অবস্থায় এসে আমার কলার ধরে মার। টানাহেঁচড়া।"

    ঘটনাটি ঘটেছে, পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি ব্লকের ভাদুতলা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে খবর, তৃণমূলের কর্ণগড় অঞ্চলের সভাপতি কাঞ্চন চক্রবর্তীর এক আত্মীয় অসুস্থ ছিলেন। স্থানীয় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক নিখিলরঞ্জন ঘোষকে সোমবার সকালের দিকে ডাকতে তাঁর চেম্বারে যান তৃণমূল নেতার এক আত্মীয়। চিকিৎসকের দাবি, অসুস্থতার কারণে বাড়িতে যেতে না চাইলে সেখানে মত্ত অবস্থায় হাজির হন তৃণমূল নেতা। মারধর করার পাশাপাশি তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। 

    ঘটনাপ্রসঙ্গে নিখিলরঞ্জন ঘোষ বলেন, "আমি ওকে (তৃণমূল নেতার আত্মীয়) বললাম, তোমরা তো জান, কোভিডের পর থেকে বেরোইনি চেম্বার থেকে। আমার শরীরও খুব খারাপ। বাইরে রোগী দেখতে যাওয়া একদমই বন্ধ করে দিয়েছি। ওখানকার তৃণমূল নেতা কাঞ্চন চক্রবর্তী মত্ত অবস্থায় এসে আমার কলার ধরে মার।" অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার দাবি, চিকিৎসকের দাবি ভিত্তিহীন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কাঞ্চন চক্রবর্তীর বক্তব্য, "কোনও মারধর হয়নি। আমরা ওঁকে চারবার ডাকতে গেছি, উনি আসেননি। তারপর আমি গেছি। কোনও চড়-থাপ্পড় মারিনি। উনি আমার বাবার বন্ধু ছিলেন। আমি কি ওঁকে মারতে পারি? একদম মিথ্যে। উনি তো বিজেপি করেন।"

    চিকিৎসকের দাবি, তিনি গিয়ে দেখেন রোগী অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। তা সত্ত্বেও তাঁর বাড়ির সামনে মৃতদেহ রেখে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ঘটনার জেরে রাতে অসুস্থ বোধ করায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসককে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি শঙ্কর গুছাইত বলেন, "হামলা করেছে কে, তৃণমূল। এবং তিনি তৃণমূলের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, অঞ্চল নেতা। একজন ডাক্তারবাবু আজকে সুরক্ষিত নয়। আমরা আগেও দেখেছি আর জি করে, কী ঘটনা ঘটেছে! তাঁর ঘটনাস্থলে তাঁর কর্মক্ষেত্র একজন নার্স, একজন ডাক্তার সুরক্ষিত নন।" 

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা বলছেন, "কোনও সময় এই ধরনের ঘটনা কাম্য নয়। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি। আমি একটু খোঁজখবর নিয়ে জেনে বলব, আসল ঘটনাটি কী ঘটেছে।" 

    ঘটনায় শালবনি থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আক্রান্ত চিকিৎসক।

     

    Click here to Read More
    Previous Article
    আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে DGPকে শোকজ করেছিল Supreme Court,এটা রাজ্য সরকারের বিপক্ষে... : কল্লোল দাস
    Next Article
    Coal Scam: শেষ রক্ষা হল না, কয়লা পাচার মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার রাজ্যের ২ !

    Related জেলার খবর Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment