Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Pakistan-Indonesia Defence Deal: ভারতের সঙ্গে ‘ব্রহ্মস’-চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত, এখন পাকিস্তানের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান-ড্রোন কেনার পথে ইন্দোনেশিয়া?

    1 week ago

    নয়াদিল্লি: ভারতের কাছ থেকে ‘ব্রহ্মস’ (Brahmos) কিনতে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত। সেই আবহেই পাকিস্তানের কাছ থেকে JF-17 Thunder যুদ্ধবিমান কিনতে উদ্যোগী হল ইন্দোনেশিয়া। শুধুমাত্র JF-17 Thunder যুদ্ধবিমানই নয়, পাকিস্তানের কাছ থেকে ‘Killer Drone’ কিনতেও আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া। সেই মর্মে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে বলে জানা গেল। (Pakistan Defence Industry)

    ইতিমধ্যেই ইসলামাবাদ গিয়ে পাকিস্তানের বায়ুসেনা প্রধান মার্শাল জাহির আহমেদ বাবর সিধুর সঙ্গে দেখা করেছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জাফরি সামসউদ্দিন। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই খবরে সিলমোহর দিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার নিরাপত্তা বিভাগের তিন আধিকারিক। পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফেও বৈঠকের কথা মেনে নেওয়া হয়েছে। (Pakistan-Indonesia Defence Deal)

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তান ও চিন যৌথভাবে যে JF-17 যুদ্ধবিমান তৈরি করে, তা কিনতেই আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া। প্রাথমিক পর্যায়ে যে তথ্য সামনে আসছে, সেই অনুযায়ী, ৪০টির বেশি JF-17 যুদ্ধবিমান কিনতে চায় ইন্দোনেশিয়া। পাকিস্তানের কাছ থেকে ‘শাহপার’ ড্রোন কিনতেও আগ্রহী তারা, যার মাধ্যমে নজরদারি চালানোর পাশাপাশি, নির্দিষ্ট লক্ষ্য়ে নির্ভুল আঘাত হানাও সম্ভব। ঠিক কবে ওই যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন হাতে পাবে ইন্দোনেশিয়া, তা এখনও জানা যায়নি। 

    রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র, ব্রিগেডিয়ার রিকো রিকার্ডো সিরাইত বলেন, “দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক, কৌশলী আলোচনা এবং যোগাযোগ মজবুত করা নিয়ে কথা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে দুই দেশই যাতে লাভবান হয়, আলোচনা হয়েছে সেই মর্মে।” তবে এখনও পর্যন্ত কিছু চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি। অন্য দিকে, পাক সেনা জানা, পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে কথা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। 

    আরও একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, JF-17 যুদ্ধবিমান, এয়ার ডিফেন্স প্রযুক্তি, বায়ুসেনা কর্মী এবং ইঞ্জিনিয়ারদের প্রশিক্ষণ দেওয়া নিয়েও কথা হয়েছে দুই দেশের মধ্যে। পাকিস্তানি বায়ুসেনার অবসরপ্রাপ্ত এয়ার মার্শাল আসিম সুলেমান বলেন, “ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পথে।” আপাতত ৪০টির মতো যুদ্ধবিমান কিনতে ইন্দোনেশিয়া আগ্রহী বলেও জানিয়েছেন তিনি। গত বছর ডিসেম্বর মাসেই পাকিস্তান সফরে যান ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট পি সুবাইন্তো। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করে তোলার পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়েও আলোচনায় যোগ দেন তিনি। বেশ কয়েক বছর ধরেই প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাডি়য়ে আসছে ইন্দোনেশিয়া। ২০২২ সালেই ৮১০ কোটি ডলারের বিনিময়ে ৪২টি রাফাল যুদ্ধবিমান কিনতে বরাত দেয় তারা। পাশাপাশি, তুরস্কের কাছ থেকে ৪৮টি KAAN যুদ্ধবিমানও কিনছে। চিনের কাছ থেকে J-10 যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের। আমেরিকার তৈরি F-15EX যুদ্ধবিমানের উপরও নজর রয়েছে।

    তবে পাকিস্তানের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান এবং ড্রোন কিনতে যে আগ্রহী ইন্দোনেশিয়া, তাতে দিল্লির সঙ্গে জাকার্তার বোঝাপড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। কারণ ভারতের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের (৪,০৫৭.৬৫ কোটি) 'ব্রহ্মস' ক্ষেপণাস্ত্র চুক্তি যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে, সেই আবহে তাদের এই পদক্ষেপ বিশ্বাসভঙ্গের সমতুল্য বলে মনে করা হচ্ছে। ইন্দোনেশিয়া এবং ভারতের মধ্যে সেই চুক্তি প্রায় হয়েই গিয়েছে, শুধুমাত্র রাশিয়ার অনুমোদন বাকি। রাশিয়া এবং ভারতের যৌথ প্রকল্পের আওতায় তৈরি 'ব্রহ্মস', তাতে রাশিয়ার অংশীদারিত্ব ৪৯.৫ শতাংশ. Brahmos Aerospace-এর যৌথ মালিকানা রয়েছে ভারতের DRDO এবং রাশিয়ার NPO Mashinostroyenia-র হাতে। ভারতের অংশীদারিত্ব ৫০.৫ শতাংশ।

    পাশাপাশি, পাকিস্তানের গতিবিধিও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আগের চেয়ে পাকিস্তানের হাত অনেক মজবুত বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরাও। শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়াই নয়, লিবিয়ার ন্যাশনাল আর্মি, সুদানের সেনার সঙ্গেও প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কথা চলছে পাকিস্তানের। ফলে উপমহাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবসায় পাকিস্তান নতুন খেলোয়াড় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে বলে মনে করছেন অনেকেই। সম্প্রতি সেই নিয়ে জল্পনা আরও উস্কে দেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তাঁর দাবি, ২০২৫ সালের মে মাসে ভারতের সঙ্গে চারদিন ব্যাপী যে 'সংক্ষিপ্ত যুদ্ধ' হয়, তার পর থেকেই তাঁদের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের চাহিদা একলাফে বেড়ে গিয়েছে। তাঁদের তৈরি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যে হারে বিকোচ্ছে, তাতে খুব শীঘ্রই আর আন্তর্জাতিক অর্থ ভাণ্ডারের কাছ থেকে ঋণ নেওয়ার প্রয়োজন পড়বে না।

    রয়টার্সের রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তানের JF-17 যুদ্ধবিমানের চাহিদাই সবচেয়ে বেশি এই মুহূর্তে। আজেরবাইজানের সঙ্গে সেই নিয়ে চুক্তি হচ্ছে তাদের। লিবিয়ার সেনার সঙ্গেও ৪ বিলিয়ন ডলারে চু্ক্তি হচ্ছে। বাংলাদেশের সঙ্গেও সামরিক চুক্তি করছে পাকিস্তান, যার আওতায় Super Mushshak যুদ্ধবিমান চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়া থেকে, JF-17 যুদ্ধবিমান সরবরাহ করা হবে ঢাকাকে। সৌদি আরবের সঙ্গেও ২-৪ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কথা চলছে। সৌদির থেকে যে ঋণ নিয়েছিল পাকিস্তান, তা সামরিক সরঞ্জাম জুগিয়ে মেটাবে ইসলামাবাদ।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Plane Accident News: যাত্রীসমেত নিখোঁজ বিমান, ব্যাপক তল্লাশি ইন্দোনেশিয়ায়, পাহাড়ের উপর ধ্বংসাবশেষ, বাড়ছে আশঙ্কা
    Next Article
    India-Iran Relations: ইরানের হাতে বন্দি ১৬ ভারতীয় নাবিক, কোথায় রাখা হয়েছে, নেই উত্তর, মোদির হস্তক্ষেপ চাইছেন পরিবারের লোকজন

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment