Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Nipah Virus Antidote: নিপা ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক নেই, কীভাবে সম্ভব চিকিৎসা? কী বলছেন চিকিৎসকেরা?

    4 days ago

    কলকাতা: ভয় ধরাচ্ছে নিপা ভাইরাস, বাড়ছে সংক্রমণ। এই রাজ্যেই ২ জন নার্সের নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, জানা যাচ্ছে, ২ জনের অবস্থাই যথেষ্ট আশঙ্কাজনক, রাখা হয়েছে ভেন্টিলেশনে। তবে চিকিৎসেরা বিভিন্ন নিয়মের কথা বলছেন, যেগুলি মেনে চললে নিপা ভাইরাসের বিপদ এড়ানো সম্ভব। তবে সবচেয়ে আশঙ্কাজনক কথা হচ্ছে, নিপা ভাইরাসের এখনও কোনও প্রতিষেধক নেই। তাহলে নিপা ভাইরাস হলে কীভাবে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব? 

    চিকিৎসক জয়দেব রায় বলছেন, 'নিপা ভাইরাসের কোনও প্রতিষেধক বেরোয়নি। কোনও চিকিৎসা নেই। কিছু ওষুধ পরীক্ষামূলকভাবে ব্য়বহার করা হয়েছে। কিন্তু কোনওটাই কাজ করে না ঠিকমতো। সিম্পটোম্যাটিক ট্রিটমেন্টই এর চিকিৎসা। রোগীকে আইসিইউ কেয়ার দিতে হবে। নিপা ভাইরাসের উপসর্গ অন্যান্য ভাইরাসের মতো শুরু হলেও এটা অনেক বেশি দ্রুত গতিতে ছড়ায়। খুব দ্রুত গতিতে মস্তিষ্কের ক্ষতি করে। রোগী অচৈতন্য হয়ে যায়, খিঁচুনি হয়, হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারে। শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এই ধরনের সমস্যা ও উপসর্গ দেখা দিলে তৎক্ষনাৎ চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে এবং রোগীকে আইসিইউ কেয়ার দিতে হবে। কারণ এই রোগের মারণক্ষমতা অনেক বেশি।'

    তাহলে মুক্তি কীভাবে সম্ভব? জয়দেব রায় বলছেন, 'জোর দিতে হবে রোগ আটকানোয়। কোনও ভ্যাকসিন তো হয় না। এই রোগটি জুনেটিক। বাদুর থেকে মানুষের মধ্যে আসতে পারে। খেজুরের কাঁচা রস বাদুর খায়, বা কোনও ফল যা বাদুর মুখ দিলে তাদের লালারস থেকে যায়, সেখান থেকে সংক্রমণ ছড়ায়। সব সময় যে বাদুর থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়াবে তা নয়। আক্রান্ত মানুষ থেকে অন্য মানুষে যেতে পারে সংক্রমণ।'

    কী কী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে নিপা ভাইরাসের থেকে বাঁচতে? জয়দেব রায় বলছেন, 'খেজুরের রস আপাতত এড়িয়ে চলা উচিত। আধখাওয়া ফল কুড়িয়ে খাওয়া নয়। ফল ধুয়ে খেতে হবে। তবে সেটা শুধু জল দিয়ে নয়, খুব ভাল হয় কোনও ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে খেলে। কারণ বাদুরের লালা অনেক দিন পর্যন্ত ফলের গায়ে থেকে যেতে পারে। ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুলে সেটা চলে যায়। যারা সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন, তাঁদেরও আইসোলেশনে রাখা উচিত।' পাশাপাশি চিকিৎসকেরা আরও পরামর্শ দিতেন, এই সময়ে শুকরের মাংস খাওয়া আর শুকর পালন এড়িয়ে চলাই ভাল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Swami Vivekananda: যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হল স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৪ তম জন্মদিন
    Next Article
    SSC NEWS | আগামী সপ্তাহেই প্রকাশিত হবে একাদশ-দ্বাদশের চূড়ান্ত মেধা তালিকা। SSC Case

    Related জেলার খবর Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment