Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Cancer Prevention: ক্যান্সার কোষ প্রতিরোধে নতুন দিশা দেখাচ্ছে পতঞ্জলি, Aurogrit নিয়ে বড় দাবি সংস্থার

    5 days ago

    Cancer Overview: ক্যান্সার একটি গুরুতর অসুখ। এর ফলে শরীরের কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেতে শুরু করে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে। সাধারণত শরীরের কোষগুলো একটি নিয়ন্ত্রিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়, বিভাজিত হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পরে আবার মারাও যায়। কিন্তু যখন এই প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে, তখন কোষগুলো নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকে, যার ফলে টিউমার তৈরি হয়। 

    টিউমার সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে। ১) যার ফলে ক্যান্সার হয় না এবং ২) ম্যালিগন্যান্ট, যা ক্যান্সারজনিত। ম্যালিগন্যান্ট টিউমার শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

    ফুসফুসের ক্যান্সারের ধরন: 

    ফুসফুসের ক্যান্সার মূলত দুই প্রকারের হয়ে থাকে। প্রথমটি হল নন-স্মল সেল লাং ক্যান্সার (Non-Small Cell Lung Cancer) - এটি সাধারণ এবং প্রায় ৮৫% ক্ষেত্রে এটিই দেখা যায়। এই ক্যান্সার তুলনামূলকভাবে ধীরে ধীরে ছড়ায়। তবে সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না হলে এটি মারাত্মক হতে পারে। দ্বিতীয়টি হল স্মল সেল লাং ক্যান্সার (Small Cell Lung Cancer), যা তুলনামূলকভাবে কম মানুষের মধ্যে দেখা যায়। কিন্তু এটি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং শরীরের অন্যান্য অংশে খুব তাড়াতাড়ি ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসায় অত্যন্ত সতর্কতা ও দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন।

    ফুসফুসের ক্যান্সারের কারণ: 

    ফুসফুসের ক্যান্সারের অনেক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে অন্যতম হল ধূমপান। তামাকের ধোঁয়ায় ৭,০০০-এরও বেশি রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যার অনেকগুলোই কার্সিনোজেনিক বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান। শুধু ধূমপায়ীরাই নয়, যারা ধূমপায়ীদের আশেপাশে থাকেন তাদেরও কিন্তু এই ঝুঁকি রয়েছে। একে বলা হয় প্যাসিভ স্মোকিং বা পরোক্ষ ধূমপান। এটিও সমানভাবে ক্ষতিকর। 

    ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ: 

    ফুসফুসের ক্যান্সারের লক্ষণ প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না। ফলে রোগী ও চিকিৎসক উভয়ের পক্ষেই সমস্যাটি শনাক্ত করতে দেরি হয়ে যায়। কিছু সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে দীর্ঘস্থায়ী কাশি যা সহজে সারে না, কাশির সঙ্গে রক্ত বের হওয়া, বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া, হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি। এছাড়া, কিছু ক্ষেত্রে ব্রঙ্কাইটিস বা নিউমোনিয়ার মতো সমস্যা বারবার দেখা দিতে পারে। এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করা প্রাণঘাতী হতে পারে। সেক্ষেত্রে সময়মতো স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি। 

    ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয় পদ্ধতি: 

    আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে ফুসফুসের ক্যান্সার নির্ণয়ের জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। প্রথমে চিকিৎসকরা সাধারণত ফুসফুসের একটি এক্স-রে করার পরামর্শ দেন। এর ফলে প্রাথমিকভাবে ফুসফুসের অবস্থার একটি ধারণা পাওয়া যায়। এরপর সিটি স্ক্যান (CT স্ক্যান) এবং পিইটি স্ক্যান (PET স্ক্যান)-এর মতো উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। যার দ্বারা ফুসফুসের গঠন ও ক্যান্সার কতটা ছড়িয়েছে সে সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা মেলে। এক্ষেত্রে এমআরআই (MRI) করেও অনেক সময় পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। আবার অনেক সময় বায়োপসি করা হয়। এক্ষেত্রে ফুসফুসের টিস্যুর একটি ছোট অংশ সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এই সব পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যান্সার কোন পর্যায়ে (যা সাধারণত ১ থেকে ৪ অবধি শ্রেণীবদ্ধ) রয়েছে তা নির্ধারণ করা যায়। 

    আয়ুর্বেদের মাধ্যমে ফুসফুসের ক্যান্সারের চিকিৎসা: 

    এই ক্ষেত্রে পতঞ্জলি এক নতুন দিশা দেখিয়েছে। পতঞ্জলি Aurogrit নামে একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করেছে যা ফুসফুসের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। কর্কটশৃঙ্গী (যা কাকড়া শৃঙ্গী নামেও পরিচিত) থেকে তৈরি করা হয় এই Aurogrit। আয়ুর্বেদিক গ্রন্থে কর্কটশৃঙ্গীকে শ্বাসতন্ত্রের রোগে অত্যন্ত উপকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ওষুধে গ্যালিক অ্যাসিড (Gallic Acid), মিথাইল গ্যালেট (Methyl Gallate) এবং পেন্টা-ও-গ্যালয়েল-β-ডি-গ্লুকোজ (Penta-O-Galloyl-β-D-Glucose বা PGG)-এর মতো কার্যকর ফাইটোকেমিক্যাল রয়েছে। এর মধ্যে PGG বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ক্ষেত্রে কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। 

    আমরা ফুসফুসের ক্যান্সার কোষের উপর Aurogrit-র প্রভাব বিশ্লেষণ করেছি। এই গবেষণায় দেখা গেছে যে Aurogrit ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করে, কিন্তু সুস্থ কোষের ক্ষতি করে না। এই ওষুধ ক্যান্সারের বৃদ্ধি রোধ করে এবং টিউমার গঠনের প্রক্রিয়া ধীর করে দেয়। এছাড়াও, এটি আণবিক স্তরে সিগন্যালিং পথকে প্রভাবিত করে, যার ফলে ক্যান্সার কোষের সৃষ্টি হ্রাস পায়।  

    (ডিসক্লেমার: এটি একটি স্পনসর্ড আর্টিকেল। ABP Network Pvt. Ltd. এবং/অথবা ABP Live এখানে প্রকাশিত মতামতকে সমর্থন/সাবস্ক্রাইব করে না। এই তথ্য কোনও চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ বা কিছু কেনার প্রস্তাব দেয় না। এই ধরনের কিছু কেনাকাটার আগে একজন বিশেষজ্ঞ পরামর্শদাতা/ চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। পাঠককে বিবেচনা করে পদক্ষেপের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।)

    Click here to Read More
    Previous Article
    Gaurav Kapur: দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন গৌরব কপূর? কবে অনুষ্ঠান? কেই বা পাত্রী?
    Next Article
    Gold Price Today : লক্ষ্মীবারের পরই সোনার দামে বড় বদল? কত হল শুক্রবারের দাম?

    Related ব্যবসা-বাণিজ্য Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment