Search

    Language Settings
    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    dailyadda
    dailyadda

    Ajit Pawar Profile : মারাঠাভূমে সবার 'অজিত দাদা', জনতার মন, ক্ষমতার সমীকরণ, দুই অঙ্কেই বাজিমাৎ বারবার

    2 days ago

    জেলা পরিষদের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারের জন্য মুম্বই থেকে যাচ্ছিলেন বারামতি। সেই যাত্রাই শেষ যাত্রা হল মহারাষ্ট্রের ‘মহাজুটি’ সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের। অবতরণের সময় ভেঙে পড়ে তাঁর ব্যক্তিগত বিমানটি। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তাঁর। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর । 

    মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে অজিত দাদা নামে পরিচিত শরদ পওয়ারের ভাইপো অজিত । 'মহারাষ্ট্রের কৌটিল্য' শরদ পাওয়ারের ছায়াতেই বেড়ে ওঠে। রাজনীতের পাঠক্রমও তাঁর থেকে। অনেকটা গুরু-শিষ্যের মতোই সম্পর্ক ছিল শরদ-অজিতের। কিন্তু জীবন ও রাজনীতিতে কোনও সমীকরণই চিরস্থায়ী হয় না। তাই হয়ত রাজনৈতিক জীবনে সায়াহ্নে এসে বারবার প্রকট হয়েছে অজিত ও শরদের চিড়। কখনও ছায়াযুদ্ধ, কখনও চিড়...শেষমেষ ভাঙনও। শরদের সঙ্গ ত্যাগ করে বেরিয়েও আসেন অজিত। তিনি তাঁর জীবন দিয়ে প্রমাণ করেছেন রাজনীতিতে কেউ চিরমিত্র বা চিরশত্রু নয়। 

    ১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে রাজনৈতিক জীবন শুরু করে অজিত পাওয়ার ১৯৯১ সালে প্রথম মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেন। সেবার অবশ্য তিনি কাকা অজিত পাওয়ারের জন্য এই আসনটি ছেড়ে দেন। পরবর্তীতে অজিত বারামতি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে সাত বার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন । তিনি প্রথমবার ১৯৯১ সালের উপনির্বাচনে জয়লাভ করেন অজিত। পরবর্তীতে ১৯৯৫, ১৯৯৯, ২০০৪, ২০০৯ এবং ২০১৪ সালে টানা পাঁচটি বিধানসভা ভোটে জয় পান অজিত। ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী সুধাকররাও নায়েকের সরকারে কৃষি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ১৯৯২ সালে শরদ পাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি মাটি সংরক্ষণ, বিদ্যুৎ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হন। ১৯৯৯ সালে , কংগ্রেস-এনসিপি জোট সরকারের সেচ মন্ত্রী হন। ২০০৩ সালে সুশীলকুমার শিন্ডের মন্ত্রিসভার অংশ হিসেবে দায়িত্ব নেন গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের।  ২০০৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-এনসিপি জোট জয়লাভের পর , তিনি দেশমুখ এবং পরে অশোক চহ্বানের মন্ত্রিসভায় জলসম্পদ মন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন।  

    এর মধ্যেই দলের অন্দরেই কাকা শরদ পাওয়ারের সঙ্গে সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। সেই দূরত্ব প্রথম প্রকাশ্যে আসে ২০১৯ সালে । সেই বছর ২৩ নভেম্বর  তিনি এনসিপি ছেড়ে বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারে যোগদান করেন এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী হন । সেবার সেই সরকারের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য রাজ্যপালের কাছে তাঁর সমর্থনে থাকা এনসিপির বিধায়কদের স্বাক্ষর সহ একটি কাগজও জমা দেন। তবে, ৮০ ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে মহারাষ্ট্রে রাজনীতির চাকা ঘুরে যায়। ফের ঘরওয়াপসি হয় অজিতের।  

    ২০২২ সালে, শিবসেনা ভেঙে গেলে মহারাষ্ট্রে মহাবিকাশ আঘাডী সরকার ভেঙে যায়। বিদ্রোহী শিবসেনা গোষ্ঠী এবং বিজেপি একনাথ শিন্ডেকে মুখ্যমন্ত্রী করে সরকার গঠন করে। সেই সময় অজিত পাওয়ার মহারাষ্ট্র বিধানসভায় বিরোধী দলের নেতা হন ।   ২০২৩ সাল নাগাদ ফের দলের অন্দরে কাকা-ভাইপোর দূরত্ব, ক্ষমতা নিয়ে উষ্মা , সবই প্রকট হয়। সেই বছরই ২ জুলাই, অজিত পাওয়ার তার সমর্থক বিধায়কদের নিয়ে শরদ পাওয়ারের নেতৃত্বাধীন NCP ত্যাগ করে মহারাষ্ট্রের শিবসেনা-বিজেপি জোটে যোগ দেন । তিনি মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন এবং এই রাজনৈতিক দলবদলের ফলে NCP-তে বড় ধরনের বিভাজন ঘটে। 

    Click here to Read More
    Previous Article
    Ajit Pawar Death : অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে 'যথোপযুক্ত তদন্তের' দাবি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাতিল করলেন দিল্লিযাত্রা
    Next Article
    ‘খুব মার খাবে, বাহানা বানিয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করো!’ পাকিস্তানকে মোক্ষম খোঁচা ভারতীয় বিশ্বজয়ীর

    Related টপ নিউজ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment